অষ্ট্র্বেলিয়ার হয়ে ৬১ ম্যাচ খেলেছেন কেন রিচার্ডসন। অডিয়াইতে ২৫ ম্যাচের সাথে টি২০ তে খেলেছেন ৩৬ ম্যাচ।
এছাড়া আইপিএলেও ছিলেন নিয়মিত মুখ। ব্যাঙালুর, রাজস্থান, পুনে এইসব দলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন।
খেলেছেন বিশ্বের বড় বড় লীগেও। সেই কেন রিচার্ডসনকে এবার এক ওভারে ২১ রান নিলেন জিসান আলম।
তাও আবার যেখানে খেলে রিচার্ডসন বড় হয়েছেন, যে জায়গায় খেলেন নিয়মিত, সেই নর্দান স্ট্রাইকের বিপক্ষে তাদের মাঠে।
অর্থাৎ ফর্মে থাকলে জিসান যে কারো জন্যই যে আতঙ্ক হতে পারেন, সেটাই প্রমাণ করলেন আরো একবার
পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে করেন ১৭ বলে ৩৩ রান, সাইফকে নিয়ে ৭ অভারে তোলেন ৯০ রান।
এরপর নেপালের মুল দলের বিপক্ষে ৭১ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস।
সর্বশেষ ম্যাচে ফিরেন ৯ রানে, তবে তাকে দেওয়া লেগ বিফোরের কলটি ছিল বেশ প্রশ্নবিদ্ধ। অর্থ্যাৎ প্রতি ম্যাচেই ভালো করেছেন জিসান, যেকোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই জ্বলে উঠছে তার ব্যাট।
এদিনও নাইম শেখকে নিয়ে ঝড়ো শুরু করেন জিসান। নাইমের সাথে শুরুর পার্টনারশিপে ৩ অভার ৩ বলে তোলেন ৫৫ রান।
যদিও এরপর নাইম ফিরে গেলে ব্যাটিং ব্যার্থতার চরম সীমা দেখা যায় বাংলাদেশের।
সাইফ, আফিফ সহ অপর প্রান্তে থাকা সবাই বেশ সংগ্রাম করছিলেন ব্যাটিংএ। ফলে শুরুর ছন্দে ধরে রাখা যায়নি।
এক সময়ে এই বিপর্যয়ের কারণে বাজে শট খেলে আউট হতে হয় জিসানকে। শেষ পর্যন্ত করেন ২২ বলে ৩০ রান৷
তবে শুরুর দিকে ঝড় তুলতে যে পারেন, সেটাই প্রমাণ করে গেছেন তিনি।
ওপেনিংএ এমন ক্রিকেট খেলতেই পছন্দ করেন পারভেজ ইমন ও তানজিদ তামিম। দুই তরুণের ওপেনিং এর একটাই মন্ত্র, ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলা।
সেই ক্রিকেট খেলা হয় বলেই সফল তারা। এই জায়গায় জিসান হতে পারেন তাদের যোগ্য ব্যাকাপ।
ভয় ডর হীন ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের মশাল বহন করতে পারবেন তিনি
যদি এশিয়া কাপে জিসান যান, তবে ওপেনিংএ যোগ্য ব্যাকাপই পাবে বাংলাদেশ। কেননা যদি ইমন বা তামিমের কেউ না থাকেন, তবে পরিকল্পনা বদলাতে হবেনা বাংলাদেশকে
একই রিদমে ক্রিকেট খেলতে পারবে ওপেনাররা। অর্থ্যাৎ যে ব্রান্ডের ক্রিকেট খেলছে টাইগাররা, সেটাই থাকবে অক্ষুন্ন।
সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে জিসান আলমকে যদি এশিয়া কাপের দলে না ডাকা হয়, সেটা এক প্রকার অবিচারই হবে তার জন্য৷




