ফরচুন বরিশাল! বিপিএলের গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন, অতীতে বরিশালের ফ্রাঞ্চাইজি হয়েছিলো রানার্সআপও।
তবে ফরচুন বরিশালের এই সফলতার পেছনে কয়েকজনের দারুন প্লান কাজ করে।
কিন্তু এর বাহিরেও এই ফ্রাঞ্চাইজিটি পেতে পারে কিছু বার্তি প্রশংসা।
বর্তমানের ক্রিকেটের টক অব দ্যা টাউন হচ্ছে ম্যাচ পাতানো নিয়ে ইস্যু! কিছু দলের খেলোয়াড়, আর কিছু দল সরাসরি যুক্ত ছিলেন ম্যাচ পাতানোতে,এমনটিই নাকি বের হয়ে এসেছে বিসিবির অনুসন্ধান টিমের রিপোর্টে।
তবে এমন কোনো শঙ্কাতেও নেই বরিশালের নাম।কিংবা এই দলটির কোনো খেলোয়াড়ও নেই সন্দেহের তালিকায়।অথচ সবচেয়ে ফ্যান-ফ্যাভারিট এই তারকাবহুল দলটিকেই হয়তো সবচেয়ে বেশি টার্গেট করার কথা ছিলো,কিংংবা করেছিলোও,কিন্তু নিজেদের স্বচ্ছতা আর সতর্কতাই বরিশালকে রাখছে অনেক দলের চেয়ে উপরে।
ফ্রাঞ্চাইজি ভিত্তিক দলে কারো পেমেন্ট ইস্যু নিয়ে কথা ওঠা নতুন কিছু নয়।
গত দুই বিপিএলে ছিলো তা সবচেয়ে বেশি।অথচ এখানেও কোনো খেলোয়াড়ের কোনো অভিযোগ ছিলোনা ফরচুনের বিরুদ্ধে।
যদিও স্কোয়াডে বেশ টাকা খরচ করেছিলেন তারা,জেমি নিশামের মতো খেলোয়াড়কে এক ম্যাচের জন্য দেশে এনে একাদশের বাহিরে রেখেছিকেন তামিম-মিজানুর রহমান গং।
দেশীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে তরুন ইকবাল আরিফুলের মতু খেলোয়াড়, কিংবা পঞ্চপান্ডবের ৩ পান্ডবই এই দলের অংশ ছিলেন,সাথে শান্ত-হৃদয় রিশাদদের মতো জাতীয় দলের মুখরাও ছিলো দলে।পাকিস্তানের শাহীন শাহ থেকে শুরু করে মায়ার্সদের নিয়ে চমৎকার দল গড়েছিলো বরিশাল।
সবকিছু মিলে শিরোপা নিয়ে ঘরে গেলেও ছিলোনা কোনো নেতিবাচক কিছু।
তাই এই মুহুর্তে বরিশালকে বিপিএলের সেরা ফ্রাঞ্চাইজি বলাই যায়।




