কোচ আনচেলত্তি যেন পড়লেন মধুর সমস্যায়। নাম্বার নাইন নিয়ে কোচের এতদিন ছিল ভাবনা, সেখানেই যেন বর্তমানে পারফর্মারদের ভীর।
কাইও জর্জ, কুনহা, লিওনার্দোদের সাথে এবার সেখানে জোয়াও পেদ্রো এমনভাবে এলেন, এবার জাতীয় দলে আসা সময়ের ব্যাপার এই স্ট্রাইকারের জন্য
শুরুটা করলেন ক্লাব বিশ্বকাপে। যেখানে তড়িঘড়ি করে এসে নেমেছিলেন পালমেরাসের বিপক্ষে।
এরপরের ম্যাচেই তাকে শুরুর একাদশে নামান কোচ। আর সেখানে নিজের সাবেক ক্লাব ফ্লুমিনেসের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফিনিশিংএ জোড়া গোল করেন, দলকে নিয়ে যান ফাইনালে।
এরপর ফাইনালে পিএসজির সাথে গোল করে দলকে এনে দেন শিরোপা।
এবার প্রিমিয়ার লীগেও অব্যাহত পেদ্রোর ফর্ম। শুরুর ম্যাচে গোল এসিস্ট পাননি, চেলসিও কোন গোল পায়নি, ম্যাচ হয় ড্র।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসে করলেন সেই ধারা পুরণ। এবার একই ম্যাচে করলেন তিন গোল এসিস্ট।
পিছিয়ে পড়া চেলসিকে এনে দিলেন বড় জয়।
শুরুতে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে চেলসি। তবে সমতায় ফেরানোর কাজটা করেন পেদ্রো৷ ম্যাচের ১৫ মিনিটে ডান দিকে কর্নায় পায় চেলসি।
সেখানে মাথা ছুয়ে দেন কুকুরেলা। তবে সেই বলকে সঠিক জাজ করে লাফিয়ে উঠেন পেদ্রো।
দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান, ম্যাচে আনেন সমতা।
এরপর লিড নেওয়ার কাজটাও করেন পেদ্রো। আর সেটি করতেও সময় নেননি তিনি। ২৩ মিনিটে চেলসির হয়ে ম্যাচে আসে দ্বিতীয় গোল।
আর সে গোল করেন পর্তুগালের পেদ্রো নেতো। তবে নেতোকে সেই গোল বানিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান পেদ্রো।
ডানদিক থেকে দারুণ এক পাস দিয়ে স্পেস তৈরি করে দেন নেতোর জন্য। ফাকা জায়গায় বল পেয়ে ভুল করেননি নেতো।
গোল পায় চেলসি।
এরপর ৫৮ মিনিটে আরো এক এসিস্ট পেদ্রোর। এবার কর্নার থেকে বল বাড়ান নেতো।
তার বল থেকেই গোলরক্ষকের আগে সেটাকে নিজের করে সতীর্থ চালোবাহকে পাঠান পেদ্রো।
৬ গজ দূর থেকে বল পেয়ে গোল করতে ভুলেননি চালোবাহ। আর সেখানেই জয় নিশ্চিত করে চেলসি।
প্রতিযোগিতামুলক ম্যাচে চেলসির হয়ে ৫ ম্যাচে ৬ গোল এসিস্ট। ৪ গোলের সাথে ২ এসিস্ট। এর সাথে প্রাক মৌসুমে ২ ম্যাচে ২ গোল।
চেলসির হয়ে সব মিলিয়ে ৭ ম্যাচে ৮ গোল এসিস্ট, ৬ গোলের সাথে ২ এসিস্ট।
শুরুর একাদশে থেকে একদিন মাত্র গোল পাননি, যেদিন গোল পায়নি দলও৷ এই মুহুর্তে ব্রাজিল দলের অন্যতম বড় গোল স্কোরিং সমাধান যে পেদ্রো, তাতে নেই কোন সন্দেহ।




