ফুলব্যাকে অনেকদিন ধরেই ভুগছিল ব্রাজিল দল। আর সেখানেই রাইট ব্যাকে সমাধান হয়ে এসেছেন ভ্যান্ডারসন।
দানি আলভেজের পর যেন মানসম্মত এক রাইট ব্যাক পেয়েছে ব্রাজিল দল।
আক্রমণভাগেও যেমন পজিশন বদল করে উপরে উঠে সাহায্য করেন, আবার দ্রুত নেমেও করেন ডিফেন্স।
শারীরিকভাবে শক্তিশালী ও আক্রমণেও ভুমিকা রাখেন। নিজের এত স্কিল দিয়ে ব্রাজিলের বর্তমান দলের অপরিহার্য হয়ে আছেন ভ্যান্ডারসন।
ব্রাজিলে এর আগে রাইট ব্যাকে দীর্ঘদিন ছিলেন লিজেন্ড দানি আলভেস।
দানি আলভেসের ধারা পুরণ করেছেন ভ্যান্ডারসন। এবার একই চিত্র নিজেদের ডেরায়ও চায় বার্সেলোনা।
দানি আলভেজ যাওয়ার পরে রাইট ব্যাক অনেকটাই থেকেছে শুন্য। অনেককে অনেক সময় এই পজিশনে সুযোগ দেওয়া হলেও তারা থিতু হতে পারেননি।
আর সেখানেই ব্রাজিলের ভ্যান্ডারসনের দিকে চোখ বার্সেলোনা।
ইউওল এর মতে বার্সেলোনা ভ্যান্ডারসনকে পাওয়ার জন্য জোড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
অপরদিকে টিম টকের মতে বার্সেলোনা বারবার ভ্যান্ডারসনকে পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
ভ্যান্ডারসন নিজেও বার্সেলোনাতে যাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সেখানে ভ্যান্ডারসনের জন্য ৩৫ মিলিয়ন ইউরো বা ৪০ মিলিয়ন ডলার চাইছে তার বর্তমান ক্লাব মোনাকো।
যা বাংলাদেশের টাকায় ৪৮০ কোটি টাকা। এ নিয়ে বার্সেলোনা আলোচনা চালাচ্ছে মোনাকোর সাথে।
তবে এই জায়গায় আছে এক যদি কিন্ত ইস্যু।
ভ্যান্ডারসনকে পাওয়ার দৌড়ে বার্সেলোনা একা নয়, আছে টটেনহ্যামও৷ টাকার অঙ্কে দুই দলই কাছাকাছি অর্থ দিতে চায়।
সেখানে ভ্যান্ডারসনের বার্সেলোনা যাওয়ার ইচ্ছা থাকায় সেদিকেই আগ্রহ ছিল মোনাকোর।
তবে স্পেনের ট্যাক্স রেট বেশি ইংল্যান্ডের চেয়ে। ফলে বার্সায় ভ্যান্ডারসনকে বিক্রি করলে প্রাপ্ত লাভ কমে যাবে মোনাকোর।
যে বিষয়টা তার ট্রান্সফারে এনেছে নতুন মোড়। যেখানে তাই এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছেনা, বার্সেলোনাই হবে ভ্যান্ডারসনের পরবর্তী ঠিকানা
তবে সবকিছু পক্ষে গেলে বার্সার নীল লাল জার্সিতে দেখা যাবে ভ্যান্ডারসনকে৷ সেক্ষেত্রে লাভও হবে ব্রাজিলের জন্য।
কেননা বার্সেলোনা দলে খেলেন রাফিনহা, রাইট উইঙ তার সাথেই বোঝাপড়া করতে হয় ভ্যান্ডারসনের।
দুইজনেই ব্রাজিল দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদি বিশ্বকাপের আগে একসাথে খেলেন দুইজন, তবে দুইজনের বোঝাপড়া হবে দারুণ।
যা ব্রাজিলকে সাহায্য করবে বিশ্বকাপে। এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোথায় যায় ২৪ বছরের এই ফুলব্যাক।




