সান সিরোতে নতুন কোচ ক্রিশ্চিয়ান চিভুর অধীনে দুর্দান্ত সূচনা করেছে ইন্টার মিলান। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোলের কাছাকাছি গিয়েছিল দলটি।
মার্কাস থুরামের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে বেঁচে যায় তোরিনো। তবে চাপ ধরে রেখেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
১৮তম মিনিটে আসে প্রথম গোল। কর্নার থেকে উঁচুতে ভেসে ওঠা আলেস্সান্দ্রো বাস্তোনি হেডে বল পাঠান ফার পোস্টে।
গোলকিপারের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া এই বল ইন্টারকে এগিয়ে দেয় ১-০ তে।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ৯ মিনিট আগে পেতার সুচিচের দুর্দান্ত পাসে বক্সে জায়গা পান থুরাম।
ফরাসি ফরোয়ার্ড বাঁ কোণ থেকে নিখুঁত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দ্বিতীয় গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে ইন্টারের আক্রমণভাগ। তোরিনোর এলোমেলো ডিফেন্স একের পর এক সুযোগ উপহার দিচ্ছিল। বিরতির বাঁশি বাজতেই যেন স্বস্তি পায় অতিথিরা।
তবে বিরতির পরও পাল্টায়নি চিত্র। ৫২তম মিনিটে ডিফেন্সিভ ভুলে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগান লাউতারো মার্টিনেজ।
বক্সে ঢুকে শান্তভাবে বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন তারকা। এরপর ৬২তম মিনিটে আবারও হাজির থুরাম।
বাস্তোনির ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে দলকে চতুর্থ গোল উপহার দেন তিনি।
৭২তম মিনিটে আবারও ভয়াবহ ভুল করে বসে তোরিনো রক্ষণভাগ। ভুল পাস কেটে নেন ডেনজেল ডামফ্রিজ।
এক দারুণ ওয়ান-টু পাসে বল পৌঁছায় আনজে-ইওয়ান বোনির কাছে। সহজ ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৫-০ তে নিয়ে যান এই তরুণ স্ট্রাইকার।
শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ করে ইন্টার মিলান।
লাউতারো মার্টিনেজ গোল-অ্যাসিস্টে ছিলেন উজ্জ্বল, আর থুরামের জোড়া গোলেও ভর করে জাঁকজমকপূর্ণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইন্টার।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ৬৪ বছরের রেকর্ডও ভেঙে দিল ইন্টার।
১৯৬১ সালের পর প্রথমবার মৌসুম শুরুর ম্যাচে অন্তত পাঁচ গোলের জয় পেল সান সিরোর দল।




