এনহেল ডি মারিয়া অবসর নিয়েছেন ২০২৪ কোপা আমেরিকার পর।
আর্জেন্টিনা দলে এক যুগ সার্ভিস দেওয়া ডি মারিয়ার জায়গা কে করবেন পুরণ, সেটাই ছিল প্রশ্ন।
তবে এবার এই পজিশনেই দেখা গেলো কয়েকজন খেলোয়াড়কে। আর সেখানেই প্রশ্ন এদের মাঝে বিশ্বকাপ দলে থাকবেন কারা?
ডি মারিয়ার বদলি হিসেবে এই মুহুর্তে আর্জেন্টিনা দলে সবার আগে আছেন থিয়োগা আলমাদা।
আর্জেন্টিনা দলে সুযোগ পেয়ে পারফর্মেঞ্চ দিয়ে নিজের জায়গা পোক্ত করেছেন। এটাকিং মিডে তো নিয়মিতই পাচ্ছেন সুযোগ।
ফলে স্কোয়াডে আলমাদার জায়গা অনেকটা নিশ্চিত। কিন্ত এর সাথে থাকবেন কে? আর এখানেই আলোচনায় তিন তরুণ।
যে তরুণকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে আর্জেন্টিনা দলও। নামগুলো খুব পরিচিত, নিকো পাজ, ফ্রাংকো মাস্তানতুনহো, ক্লাদিও ইচভেরি।
এদের মাঝে এক বা একাধিক ফুটবলার জায়গা পাবেন আর্জেন্টিনা দলে।
যদিও ৩১ সদস্যের দলে আছেন ৩ জনই। তবে বিশ্বকাপে ৩১ জনকে নেওয়ার সুযোগ থাকবেনা স্কালোনির।
আবার ইঞ্জুরি কাটিয়ে এঞ্জো ফিরলে দল থেকে বাদ পড়তে হবে কাউকে।
উইঙেও নতুন কাউকে যুক্ত করতে পারেন কোচ। সব মিলিয়ে এই তিনজন থেকে বাদ পড়তে হবে এক বা একাধিক জনকে।
টিকে যাওয়ার লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে নিকো পাজ। ২০ বছর বয়সী পাজ কোমোর নাম্বার টেন।
সর্বশেষ ম্যাচে গোল এসিস্ট করেছেন, নিয়মিত পারফর্ম করছেন। এই মুহুর্তে তাকে ঘিরেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছে কোমো।
এছাড়া আর্জেন্টিনা দলে এসেও এসিস্ট পাওয়া হয়ে গেছে পাজের। ক্লাবে অন্য দুইজনের চেয়ে গেমটাইমে এগিয়ে থাকবেন পাজ।
এর বাইরে আর্জেন্টিনা দলেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তাই পাজের জায়গা অনেকটাই নিশ্চিত বলা যায়।
বাকি লড়াইটা হবে ফ্রাংকো ও ইচভেরির মাঝে। একজন রিয়াল মাদ্রিদে আছেন, আরেকজন বেয়ার লেভারকুসেনে।
টেকনিক্যালি দুইজনই দারুণ, মাস্তান এগিয়ে থাকবেন কিছুটা ফিজিক্যালি।
তবে রিয়াল মাদ্রিদ দলে কতটা গেমটাইম পাবেন তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
কেননা এই পজিশনেই আছেন ব্রাহিম দিয়াজ, রদ্রিগোরা। যদিও জাবির দলে মুল একাদশেও নেমেছেন মাস্তা, তবে পারফর্মেঞ্চের ধারাবাহিকতা না থাকলে টিকে থাকা কঠিন তার জন্য।
বিপরীতে রির্টজ এর জায়গায় নাম্বার নাইন হয়ে ইচভেরি লেভারকুসেনে। তাকেও করতে হবে নিজেকে প্রমাণ।
সব মিলিয়ে যদি একজন জায়গায় এই তিন থেকে তবে এগিয়ে থাকবেন পাজ।
দুইজন গেলে লড়াইটা হবে ফ্রাংকো ও ইচভেরির মাঝে। এরপর বাকিটা বলে দেবে সময়ই।




