চেলসির জার্সিতে ধীরে ধীরে নিজের জাত চিনিয়েই দিচ্ছেন আর্জেন্টাইন তরুণ তারকা এঞ্জো ফার্নান্দেজ।
ফুলহ্যামের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে যেন আলাদা এক ছন্দে ছিলেন তিনি।
গোল-এসিস্ট মিলিয়ে সরাসরি দুইটি অবদান রেখে আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকে বলা হয় ভবিষ্যতের “গোল্ডেন বয়”।
ফার্নান্দেজ ম্যাচজুড়ে ছিলেন মধ্যমাঠের ছন্দ নির্ধারক। পুরো ৯০ মিনিটে তিনি ছুঁয়েছেন বল ৬৯ বার, প্রতিপক্ষের বক্সে ছিলেন পাঁচবার, তৈরি করেছেন তিনটি দারুণ সুযোগ এবং দিয়েছিলেন তিনটি নিখুঁত ক্রস।
মাঝমাঠে প্রতিপক্ষের একাধিক আক্রমণ ঠেকিয়ে জয় করেছেন তিনটি ডুয়েল, কাড়েন তিনবার বলের দখল আর দুইবার করেছিলেন ইন্টারসেপশন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তিনি মাত্র একটি শট নিয়েই গোল করেন স্পট কিক থেকে।
এর বাইরে তার কর্নার থেকেই এসেছে চেলসির প্রথম গোল। নিঃসন্দেহে, মিডফিল্ডে সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করেছেন ফার্নান্দেজ।
ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে নেন গত জুলাইয়ে দলে যোগ দেওয়া ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড পেদ্রো।
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই স্ট্রাইকার গত সপ্তাহে ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের বিপক্ষেও করেছিলেন দলের প্রথম গোল।
প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে এটি তার পঞ্চম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে এসে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে চেলসি। ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে ফুলহ্যামের মিডফিল্ডার রায়ানের হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় তারা।
নির্ভুলভাবে শট নিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ।
গোলের পর মাঠজুড়ে ছিল তার দাপট, একদিকে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ, অন্যদিকে আক্রমণ সাজানো সব জায়গাতেই অবদান রাখেন এই আর্জেন্টাইন।
শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি।
মৌসুমের প্রথম ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে থাকার পর টানা দ্বিতীয় জয় পেল লন্ডনের জায়ান্টরা।
তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে আপাতত পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে দলটি।
এঞ্জো ফার্নান্দেজের এ ধারাবাহিক ফর্ম নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তি এনে দিচ্ছে কোচ ও সমর্থকদের কাছে।
তাই প্রশ্ন উঠছেই,এ মুহূর্তে কি তিনিই বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার?




