সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
শুরুতে বল হাতে তাসকিন আহমেদের আগুন ঝরা স্পেল আর ব্যাট হাতে লিটন কুমার দাসের ঝোড়ো ইনিংসে জয় সহজ হয়ে যায় টাইগারদের জন্য।
১৩৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে আগ্রাসী ভঙ্গি দেখান পারভেজ হোসেন ইমন।
চার-ছক্কায় দর্শকদের মাতালেও বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। তবে ব্যাট হাতে আসল ছন্দ দেখান অধিনায়ক লিটন দাস।
একের পর এক চার-ছক্কায় ডাচ বোলারদের অসহায় করে তোলেন তিনি। তাকে সঙ্গ দেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম।
দুজনের জুটিতেবপ্রথম ৯ ওভারেই বাংলাদেশকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে এনে দেয়।
দশম ওভারের শুরুতে তামিম আউট হলেও তখন পর্যন্ত স্কোরবোর্ড ছিল শক্ত অবস্থানে।
অপর প্রান্তে লিটন ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। তার ব্যাটিং দাপটেই ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় নেদারল্যান্ডস।
উইকেট পড়লেও জয়ের পথে তা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। অবশেষে নির্ধারিত লক্ষ্যে সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নেদারল্যান্ডস।
শুরুতে ম্যাক্স ও’ডাউডের ব্যাট থেকে আসে দারুণ কিছু শট, যা বাংলাদেশ বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল।
কিন্তু চতুর্থ ওভারে বল হাতে আসেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলেই ও’ডাউডকে ফেরান তিনি।
নিজের পরের ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরে পাঠান আরেক ওপেনার বিক্রমজিৎ সিংকে।
এরপর বল হাতে দায়িত্ব নেন দুই বছর পর দলে ফেরা সাইফ হাসান।
নিজের প্রথম ওভারেই তিনি ফেরান তেজা নিদারামানুরু ও অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসকে।
এরপর মোস্তাফিজুর রহমান আউট করেন শরিজ আহমেদকে।
ডাচরা তখন বিপর্যয়ে পড়লেও নিচের সারির ব্যাটাররা লড়াই চালিয়ে যান।
ট্রিম প্রিংগেল ও আরিয়ান দত্ত অষ্টম উইকেটে জুটি গড়ে দলকে কিছুটা ভরসা জোগান। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে থামতে হয় ১৩৬ রানে।
বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন তাসকিন আহমেদ, নেন চারটি উইকেট।
সাইফ হাসান দুইটি ও মোস্তাফিজ নেন একটি উইকেট।
বল হাতে শুরুতে তাসকিনের সাফল্য আর ব্যাট হাতে লিটনের ঝড়ো ইনিংস, এই দুইয়ে ভর করে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সহজ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।




