কেউ গায়ে ধাক্কা মারছেন, কেউ আবার সেটার জবাব দিচ্ছেন। আবার কেউ মারছেন পানি। পুরোটাই হচ্ছে যেন মজার ছলে।
মাঠে নেইমার ও থিয়োগা সিলভা এদিন মেতে উঠেন খুনশুটিতে। একই সাথে আরো এক আবেগের জন্ম দেন ব্রাজিল ভক্তদের জন্য।
অনেকদিন পর দেখা দুই পুরোনো বন্ধুর।
ব্রাজিলিয়ান লীগ সিরিআতে ম্যাচটি সাধারণ। ফ্লুমিনেসের বিপক্ষ মাঠের লড়াইয়ে সান্তোস দল।
কিন্ত সেই সাধারণ ম্যাচটাই অসাধারণ হয়ে উঠলো দুইজনের জন্য। একজন থিয়োগা সিলভা, আরেকজন দ্যা গ্রেট নেইমার জুনিয়ার।
একজনের বয়স ৪০ ছুই ছুই, আরেকজন পা দিয়েছেন প্রায় ৩৪ এ। তবে এই বয়সেও দলের অধিনায়ক তারা।
তাদেরকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে দল। তারাই দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ভরসা দেখাচ্ছেন। তবে এর বাইরেও দৃশ্য যে আবেগঘন
সিলভা আর নেইমার ব্রাজিল দলে একসাথে খেলেছেন এক দশক। ব্রাজিলের হয়ে ৩ বিশ্বকাপে একসাথে খেলেছেন।
জয় করেছেন কনফাডেরেশন কাপ। এছাড়া পিএসজিতে দুইজন একইসাথে কাটিয়েছেন দুই মৌসুম।
ব্রাজিল দলের অধিনায়ক ছিলেন সিলভা, আর দলের নাম্বার টেন ছিলেন নেইমার। এই দুইজন মিলেই গত দশকে টেনে নিয়ে গেছেন ব্রাজিল দলকে।
ক্লাব ও জাতীয় দলে দুইজন একসাথে খেলেছেন ১৭০ এর অধিক ম্যাচ। আর সেই দুইজনের পুর্ণমিলনই ঘটেছিল মাঠে।
আর সেখানেই দুইজনের মাঝে থাকে খুনশুটি। মাঠের লড়াইয়েও দুইজন যেন ছাড় দিতে চান কাউকে। নেইমার প্রথমে ধাক্কা দেন সিলভাকে।
সিলভাও সরিয়ে দেন নেইমিকে। এরপর আবার নেইমার এর সাথে এরকম মুহুর্ত।
প্রথম দর্শনে কেউ হয়ত মনে করবে দুইজনের মাঝে মনে হয় অনেক উত্তাপ।
তবে এটা যে মোটেও রাইভালারি নয়, বরং দুইজনের লড়াইটা যে বন্ধুত্বপূর্ণ সেটা বুঝতে সময় লাগেনি ফুটবল ভক্তদের।
তবুও ম্যাচ শেষে এই বন্ধুত্বকে স্মরণ করলেন নেইমার। সেখানে সিলভার সাথে একই সাথে প্রেসের সামনে আসেন তিনি।
দুইজন একই সাথে কথা বলেন, একই সাথে নিজেদেরকে তুলে ধরেন। এছাড়া মাঠেই মজার ছলে সিলভার মাথায় পানি ঠেলে দেন নেইমার।
অনেকদিন পর পুরোনো বন্ধুকে দেখে নেইমিও ছাড়লেন না মজার কোন সুযোগ।




