টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় সেরা পাচে।
সর্বশেষ ম্যাচেও জোড়া উইকেট বাংলার ফিজের৷ সুইং, গতি এর তারতম্য এর সাথে কাটার, স্লোয়ারের ভ্যারিয়েশন।
বাহাতি মুস্তাফিজুর রহমান টি২০ ক্রিকেটে বাংলার সেরা পেসার, এই ফরম্যাটে বিশ্বসেরাদের একজনও৷ তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আরেক অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ৷ গতি, সুইং এর সাথে স্লোয়ারটাও রপ্ত করেছেন তাসকিন।
সব মিলিয়ে ব্যাটসম্যানদের এদানিং তাসকিন ভোগাচ্ছেন ভালোই।
বাংলার এই দুই পেসার অবশ্য এক জায়গায় করেছেন বিশ্ব রেকর্ড।
টি২০ ক্রিকেটে মুস্তাফিজ ও তাসকিন সব মিলিয়ে উইকেট পেয়েছেন ২৩৬ উইকেট।
অপরদিকে অষ্ট্রেলিয়ার তিন ত্রয়ী মিলে পেয়েছেন মোট ২১৮ উইকেট। অর্থ্যাৎ স্টার্ক, হ্যাজলেউড ও কামিন্স মিলে আন্তজার্তিক টি২০ তে যত উইকেট পেয়েছেন, তার থেকে ১৮ উইকেট বেশি পেয়েছেন তাসকিন ও মুস্তাফিজ।
আন্তজার্তিক টি২০ তে ফিজ খেলেছেন মোট ১১১ ম্যাচ। এই ১১১ ম্যাচে ফিজ উইকেট পেয়েছেন ১৩৯ উইকেট।
অপরদিকে টি২০ তে ৭৬ ম্যাচ খেলেছেন তাসকিন আহমেদ। তিনি পেয়েছেন মোট ৮৯ উইকেট।
সব মিলিয়ে দুইজন খেলেছেন ১৮৭ ম্যাচ, উইকেট পেয়েছেন ২৩৬ টি।
অপরদিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বাহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক আন্তজার্তিক টি২০ খেলেছেন মোট ৬৫ ম্যাচ।
সেখানে মোট উইকেট পেয়েছেন ৭৯ উইকেট৷ অপরদিকে ৫৭ ম্যাচে ডানহাতি পেসার প্যাট কামিন্স উইকেট পেয়েছেন ৬৬ উইকেট।
টি২০ ক্রিকেটে ৫৫ ম্যাচে ৭৩ উইকেট পেয়েছেন আরেক পেসার হ্যাজলউড।
সব মিলিয়ে এই ৩ পেসার মিলিয়ে ম্যাচ খেলেছেন ১৭৭ ম্যাচ। সেখানে তারা পেয়েছেন ২১৮ উইকেট।
অর্থ্যাৎ ১০ ইনিংস কম খেলে তারা উইকেট পেয়েছেন ১৮ টি কম।
ফিজ ও তাসকিন মিলে আন্তজার্তিক টি২০ তে ১.২৭ হারে উইকেট পেয়েছেন প্রতি ম্যাচে। বিপরীতে ম্যাচপ্রতি ১.২৩ উইকেট এই ত্রয়ীর। অর্থ্যাৎ এখানেই পিছিয়ে আছেন তারা।
স্টার্ক, হ্যাজলেউড, কামিন্সরা খেলেছেন অষ্ট্রেলিয়ার পেস বান্ধব উইকেটে, বিপরীতে মিরপুরের স্লো উইকেটে স্পিনারদের ডেরায় বেশিরভাগ ম্যাচ খেলেছেন ফিজ তাসকিনরা৷ তবে নিজস্ব স্কিলের উপর ভর করে সাফল্য পেয়েছেন তারা।
এই আলোচনায় এটা প্রমাণ করেনা যে ফিজ ও তাসকিন আবশ্যিকভাবে এগিয়ে স্টার্ক কামিন্স হ্যাজলেউডের মত পেসারদের থেকে।
তবে এটা প্রমাণ করে সুযোগ পেলে যে বাংলার পেসাররাও নিজেদের মেলে ধরতে পারবে ভালোভাবেই।




