চোটের কারণে শেষ মুহুর্তে লেস্টার সিটির ছাড়পত্র পাননি হামজা চৌধুরি।
ফলে নেপাল ম্যাচের স্কোয়াডে থাকা হচ্ছেনা দেশের ফুটবলের আইকনের। ব্যাস্ততার কারণে দলে নেই সোমিত সোম, ফাহমিদুল।
কিউবা মিচেল, তানিল শালিকরা আছেন অনুর্দ্ধ ২৩ দলে। ফলে অনেকটা দেশী খেলোয়াড়দের নিয়েই নেপালের সাথে দল ঘোষণা বাংলাদেশের।
এবার সেখানেই প্রশ্ন, একদিন পর কাদের নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
গোলরক্ষক পজিশনে মিতুল মার্মা আছেন দলে। তিনিই হবেন বাংলাদেশ দলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক।
২৩ সদস্যের দলে সুজন ও মেহেদী হাসান থাকলেও বেঞ্চে থাকবেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে খুব দারুণ না করলেও মিতুলেই আস্থা থাকবে কোচের।
সেন্টার ব্যাক পজিশনে তারেক কাজী ও তপু বর্মনই হবেন কোচের আস্থার প্রতীক।
বসুন্ধরা এই দুই সেন্টার ব্যাকই জাতীয় দলের প্রধান সেন্টার ব্যাক ডুয়ো। আগামী ম্যাচেও সেন্টার ব্যাকে দায়িত্ব থাকবে তাদের।
রাইট ব্যাকে লড়াইটা দুই ভাইয়ের মাঝে। শেষ কয়েক ম্যাচে দলের একাদশে ছিলেন সাদ উদ্দিন।
তবে ভক্তদের চোখ ছোট ভাই তাজ উদ্দিনের দিকে। ডিফেন্স ও আক্রমণে সমান পারদর্শী তাজ কোচের থেকে এবার এক সুযোগ প্রত্যাশা করতেই পারেন। অপরদিকে ইসা ফয়সাল ফিরেছেন দলে।
লেফট ব্যাকে এর আগে ভালো করেছিলেন তিনি। তার দিকেই নজর থাকবে আরো একবার।
মাঝমাঠে একাদশে ফিরছেন জামাল ভুইয়া। হামজা চৌধুরির না থাকায় আবারো একাদশে এসে মাঝমাঠকে নেতৃত্ব দিবেন জামাল।
জামালের সাথে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে থাকবেন কাজেম শাহ কিরামনি। দুর্দান্ত ওয়ার্করেটের এই মিডফিল্ডার নিজের দিনে বদলে দিতে পারেন খেলার চিত্র। মাঝমাঠের অন্য পজিশন নিয়ে লড়াই হবে সোহেল রানা ও মোহম্মদ রিদয়ের মাঝে।
এছাড়া দলে আছেন পাপন সিং৷ তবে তার একাদশে সুযোগের কমই। সেক্ষেত্রে কোচের পছন্দে সোহেলই আসবেন মুল একাদশে।
আক্রমণভাগে রাইট উইঙে রাকিব আছেন, তবে লেফট উইঙে নেই ফাহমিদুল।
সেক্ষেত্রে রাকিব আক্রমণভাগের হবেন নেতা৷ অপরদিকে ফাহমিদুল এর বদলে লেফট উইঙে দেখা যাবে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে।
নাম্বার নাইনে আল আমিন মুল দলে নেই। তবে আছেন শাহরিয়ার ইমন।
সব ঠিক থাকলে তাকে সুযোগ দিতে পারেন কোচ। সব মিলিয়ে এমন একাদশ নিয়েই একদিন পর মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ দল।




