বার্সা তারকা রাফিনহার স্কিলে নয়। নয় এলিসন, ক্যাসিমিরো, ব্রুনো গিমারেজের মত বড় নামের দিকে।
একজন তরুণ গোলরক্ষক, যাকে স্বয়ং কোচ আনচেলত্তি ডেকেছেন। ১৮ বছরের গোলরক্ষক লিও নানেত্তি লোপেজ, যিনি অনুশীলন করেছেন এলিসন বেকারের মত গোলরক্ষদের সাথে।
কিন্ত কে এই লোপেজ, কেন অনুশীলনে তিনি।
লোপেজ খেলেন ব্রাজিলের ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গোর যুব দলে৷ এখনও মুল দলে খেলার সুযোগ মেলেনি।
অনুর্দ্ধ ১৬,১৭ পেরিয়ে খেলেছেন ফ্ল্যামেঙ্গোর অনুর্দ্ধ ২০ দলে৷ অবশ্য যতটুক স্পটলাইট পেয়েছিলেন, সেখান থেকেই এসেছে।
ফ্ল্যামেঙ্গো অনুর্দ্ধ ২০ দলের হয়ে যুব ক্লাব বিশ্বকাপে খেলেন বার্সেলোনা অনুর্দ্ধ ২০ এর সাথে।
সেখানে বিশ্বের সেরা একাডেমির খেলোয়াড়রা হেরে যায় এক নানেত্তির কাছে। টাইব্রেকে বার্সার খেলোয়াড়ের পেনাল্টি ফিরে দিয়ে নায়ক বনে যান তিনি।
পরিসংখ্যান ও খেলার ধরণ তার পক্ষে কথা বলে। অনুর্দ্ধ ২০ পর্যায়ে তার ১০ ম্যাচ খেলার পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে।
সে ১০ ম্যাচে ৬ ক্লিনশিট রাখেন মানেত্তি। এর মাঝে ব্রাজিলের লীগ সিরিআ তে ৯ ম্যাচেই ৬ ক্লিনশিট রাখেন।
ইন্টার কন্টিনেন্টাল কাপে বার্সার সাথে ২ গোল হজম করলে সেবার টাইব্রেকে তার কল্যাণেই জয় পায় ফ্ল্যামেঙ্গো।
এর বাইরে খেলার ধরণেও যথেষ্ট দারুণ তিনি। তার খেলার ধরণে এলিসন বেকার ও থিবো কর্তোয়াদের ছাপ পাওয়া যায়।
বেশ কামনেস দেখান খেলার মাঝে। দারুণ রিফ্লেক্স আছে তার। বল দারুণ সেভ করেন। বিশেষ করে ওয়ান টু ওয়ানে আরো দুর্দান্ত তিনি।
নিজের পজিশনিং জানেন, যে কারণে এট্যাকারকে তেমন রুমই দেননা তিনি। ফলে অনেক সহজ গোলের সুযোগও মিস করে তারা।
লং বলেও তার কার্যকরীতা দেখা গেছে, তবে এটা কতটা কার্যকর তা জানা যায়নি।
সব মিলিয়ে আসলেই বেশ প্রতিভাবান নানেত্তি। এবার দেখা যাক, আনচেলত্তির ছোয়ায় এই প্রতিভা কতটা বিকাশিত হয়।
এলিসন, এডারসনদের পর ব্রাজিলে বিশ্বসেরা গোলরক্ষকরা আসেনি, এলিসন এডারসনদেরও সময় শেষের দিকে।
নানেত্তির সামনে সুযোগ ব্রাজিলিয়ানদের সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেওয়ার।




