একটা সময় আর্জেন্টিনা দলে ছিলেন নিয়মিত। ক্লাবেও পারফর্ম করতেন, স্কালোনিও ডাকতেন স্কোয়াডে।
ভাবা হত লেফট উইঙে আর্জেন্টিনা দলের স্থায়ী সমাধান হবেন গার্নাচো। তবে হঠাৎ করে গার্নাচো নেই কোথাও।
আর্জেন্টিনা দলেও পাননা ডাক। বুঝতে পেরেছিলেন, দলে ফিরতে হলে ক্লাব ত্যাগের নেই বিকল্প।
কিন্ত কোথায় যাবেন তিনি? পরামর্শ নিয়ে হাজির হলেন একজন। তিনি লিওনেল মেসি। তার পরামর্শেই উপর্যুক্ত ক্লাব পেলেন গার্নাচো ।
সাম্প্রতিক সময়ে চেলসির প্রেসকে এমনটাই বলেন এই উইঙ্গার।
রুবেন আমিরম আসার পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে অনিয়মিত ছিলেন গার্নাচো৷ এরপর কোচই জানালেন তার প্লানে তেমনভাবে নেই গার্নাচো।
ক্লাব তাকে আবশ্যিকই ছিল৷ তবে নাপোলি সহ একাধিক দল তাকে নিতে চেয়েছিল। এমনকি তাকে নেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের প্রস্তাবও করেছিল।
সেসব দলে গেলে হয়ত আক্রমণভাগের বড় নাম হতেন। কিন্ত গার্নাচো ঘোষণা দেন তিনি চেলসিতেই যাবেন।
এই ঘোষণার পরই চেলসি তাকে পাওয়ার জন্য কাজ শুরু করে। যে কারণে ৪০ মিলিয়ন ডলার তারা দেয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে।
প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় চেলসিতে আসেন গার্নাচো৷
এতদিন অজানা ছিল কেন অন্য ক্লাবের প্রস্তাব ফিরিয়েই চেলসির দিকেই এত নজর ছিল গার্নাচোর।
এবার জানা গেলো এটা গার্নাচোর সিদ্ধান্ত নয়, এ সিদ্ধান্ত এসেছে স্বয়ং লিওনেল মেসি থেকে।
চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর চেলসির প্রেসের মুখোমুখি হন গার্নাচো। সেখানে তাকে নানা প্রশ্নের সাথে জানতে চাওয়া হয় চেলসিতে আসার কারণ।
আর সেখানেই মেসির উৎসাহের কথা বলেন গার্নাচো। বলেন তিনি লিওনেল মেসিকে এ নিয়ে জিজ্ঞাস করায় মেসি ইউনাইটেড ছেড়ে চেলসিতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
স্পোর্টস টকে উঠে আসা সেই মন্তব্যে গার্নাচো বলেন “ আমি মেসির সাথে কথা বলেছি।
সে আমাকে পরামর্শ দিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে চেলসিতে যাওয়ার জন্য”।
চেলসি দলেও অবশ্য গার্নাচোকে লড়াই করতে হবে একাদশের জন্য। কেননা তার পজিশনে আছেন নেতো।
তবে বদলি হিসেবে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ থাকবে তার। সে সুযোগ কাজে লাগালে মুল একাদশেও মিলতে পারে সুযোগ।
এছাড়া চেলসিতে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ এঞ্জো ফার্নান্দেজের সাহায্য পাবেন তিনি, থাকবেন লাইমলাইটে।
আর যা তাকে এনে দিতে পারে বিশ্বকাপের টিকিট। আর সেটা হলে শেষ পর্যন্ত মেসির কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন গার্নাচো৷
অপরদিকে পার রোনালদো ভক্ত হয়েও মেসির কাছে পরামর্শ চাওয়া ফুটবলে মেসির জ্ঞানের গভীরতাকেই তুলে ধরে।




