নেইমার, ভিনি, ছাড়া সর্বশেষ ম্যাচে ৩-০ গোলে জয় ব্রাজিল দলের।
সেখানে বদলি নেমে এক এসিস্ট ও আরো এক গোলে ভুমিকা রাখেন অনেকটা অচেনা লুইজ হেনরিক।
সান্তোস, ওয়েসলিদের পারফর্মেঞ্চও ছিল নজড়কাড়া। আর সেখানেই কার্লোর প্রেমে মজেছেন ব্রাজিলের এক সাংবাদিক।
ম্যাচজয়ের পর নিজের এক সাক্ষাৎকার তুলে ধরে সেই সাংবাদিক ইগর জর্জ। যা উঠে আসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
আর সেখানেই ভিনির হলুদ কার্ডের কারণে ম্যাচ মিস না করা, আনচেলত্তির পক্ষপাতমুলক আচরণ না করা, রদ্রিগোর বদলে হেনরিক ও তরুণ এস্তেভিও এর সুযোগ পাওয়ায় পর নিজেকে মেলে ধরা, বিদেশী কোচ হিসেবে এসে আনচেলত্তির নিয়ম ভেঙে দেওয়া এইসব নিয়ে বলেন জর্জ।
এছাড়া ভিনির ফর্মহীনতা ও ব্রাজিল যে কারো স্থায়ী ঠিকানা নাহ সেটাও তুলে ধরেন তিনি।
নিজের এক সাক্ষাৎকারে এই ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক বলেন “ ব্রাজিল দলে এখন আর অলসতার কোনো স্থান নেই।
আনচেলোত্তির সিদ্ধান্তগুলোই সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ঘটনা। হলুদ কার্ডের কারণে তিনি খেলতে পারেননি, আর তার অনুপস্থিতিতে যারা মাঠে নেমেছে, তারা নিজেদের সেরাটা দেখিয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদে যেখানে তিনি ফর্মহীন সময় কাটাচ্ছেন, জাতীয় দলেও তার পারফরম্যান্স আশানুরূপ নয়।
যদিও তিনি ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কার জিতেছেন, কিন্তু ব্রাজিল জার্সি গায়ে সেই যোগ্যতা এখনও প্রমাণ করতে পারেননি।
এখন আর কারও জন্য স্থায়ী জায়গা নেই, যে ভালো খেলবে, সেও দলে থাকবে।
রদ্রিগোর ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি। তার জায়গার জন্য লড়ছে এস্তেভাও আর লুইজ হেনরিক।
আনচেলোত্তির নীতিতে কারও প্রতি পক্ষপাত নেই; কেবল যারা শতভাগ উজাড় করে দেবে, তারাই সুযোগ পাবে।
বিদেশি কোচ এসে ভেঙে দিয়েছেন পুরনো নিয়ম। একবার দলে জায়গা পেলে সেটি চিরস্থায়ী।
এখন প্রতিটি খেলোয়াড়কে লড়াই করতে হচ্ছে। ভিনিসিয়ুসের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো খেলায় মনোযোগ দেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় কার্ড এড়িয়ে চলা।
কারণ, একটি হলুদ কার্ডই তাকে মারাকানার মতো বিশাল ম্যাচ থেকে ছিটকে দিতে পারে।
অথচ এমন ম্যাচই আসল মঞ্চ, নিজেকে প্রমাণ করার জায়গা। এভাবে চলতে থাকলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাড়বে, আর নিজের জায়গা ক্রমেই হারাতে থাকবে।”
সব মিলিয়ে ব্রাজিলের বর্তমান দলের পরিস্থিতির কথাই তুলে ধরেন জর্জ।
আর সেখানেই কার্লোর ব্রাজিলকে তুলে ধরেন একবার।
যে ব্রাজিল দল শুধু পারফর্মারদের, যেখানে দলের বড় তারকা ও নিজের সাবেক শিষ্য হওয়ার পরও ভিনি রদ্রিগোদের ছিটকে ফেলতে দুইবার ভাবেননা কার্লো। আর এরকম মনোভবই কার্লোকে আগামী দিনে এনে দিতে পারে সাফল্য।




