৫ দেশ, মোট এগারো ক্রিকেটার। তালিকায় ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার লিজেন্ডরা। তাদের মাঝেই জায়গা করে নিয়েছেন একজন।
তিনি বিশ্বে বাংলাদেশের ব্রান্ড এম্বেসডর। সাকিব আল হাসান।
আরো এক সেরার তালিকায় সাকিব। যা প্রকাশ করা হয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো এর পক্ষ থেকে৷
সামনে এশিয়া কাপ। তৃতীয়বারের মত এই আসর হবে টি২০ ফরম্যাটে।
তার আগে এই আসরে খেলা দলগুলোর সর্বকালের সেরা একাদশ বের করেছে ভারতীয় গগণমাধ্যম ও ক্রিকেটের বিখ্যাত ইএসপিএন ক্রিকইনফো এর পক্ষ থেকে। আর সেই তালিকায় আছেন চার ভারতীয় ক্রিকেটার।
আছেন তিন লঙ্কান ও দুই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। আছেন আফগানিস্তানের একজন। এর সাথে আছেন বাংলার সাকিব আল হাসান।
এই একাদশে ওপেনার হিসেবে আছেন লঙ্কান দুই ব্যাটার জনাথ জয়সুরিয়া ও মাহেলা জয়ার্ধনে।
ওপেনে মারমুখী ব্যাটিং এর সাথে বাহাতি স্পিন, টি২০ এর আদর্শ প্যাকেজ বলা যেত জয়সুরিয়াকে।
অপরদিকে ৫৫ টি২০ তে ৩১ এভারেজ ও ১৩৩ স্ট্রাইক রেটে ১৪০০ এর অধিক রান করা আরেক লঙ্কান কিংবদন্তি জয়ার্ধনে এই তালিকায়।
নাম্বার তিনে জায়গা পেয়েছেন ভিরাট কোহলি। ১২৫ টি২০ তে ৪৯ এভারেজ ও ১৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৪১৮৮ রান, একবার টি২০ বিশ্বকাপ ও একাধিক এশিয়া কাপ জয়।
কোহলি থাকবেন টি২০ এর যেকোন একাদশে। এক সময়ে টি২০ এর এক নাম্বার ব্যাটসম্যান সুর্যকুমার যাদভ আছেন তার পর।
নাম্বার চারে রাখা হয়েছে ভারতের এই বিদ্ধংসী ব্যাটসম্যানকে।
ভারতকে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অধিনায়ক এমএস ধোনি আছেন নাম্বার পাচে।
উইকেটরক্ষক ও অধিনায়ক হিসেবে আছেন ধোনি। জিতেছেন একাধিক এশিয়া কাপও।
নাম্বার ছয়েই আছেন বাংলার নবাব সাকিব। ১২৯ আন্তজার্তিক টি২০ ম্যাচে ২৫৫১ রান, এর সাথে বোলিংএ ৬.৮১ ইকোনমিতে ১৪৯ উইকেট।
এই ফরম্যাটের সাবেক বিশ্বসেরাকে একাদশে রেখেছে ইএসপিএন।
সাকিবের পর নাম্বার সাতে পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। স্পিনে তার সাথে আছেন এই জেনারেশনের সেরা টি২০ খেলোয়াড় ও আফগানিস্তানের লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার রাশিদ খান। নয়, দশ, এগারো তে আছেন তিন দেশের তিন পেসার।
নিজ সময়ে ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কে থাকা ভারতীয় জাসপ্রিত বুমরা ও শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা আছেন একাদশে।
পাকিস্তানের উমর গুল তার সাথে জায়গা পেয়েছেন এই একাদশে।
সব মিলিয়ে ৩ অলরাউন্ডার, ৬ বোলার ও ৮ ব্যাটসম্যান সহ দুর্দান্ত সর্বকালের সেরা এশিয়া একাদশ। আর যেখানেই জায়গা করে নিয়েছেন বাংলার সাকিব।




