বয়স হতে হবে ২১ বছরের কম। এর আগে জয় করা যাবেনা এই পুরষ্কার।
এমন ক্রাইটোরিয়ার ভিত্তিতে দেওয়া হয় সেরা তরুণের পুরষ্কার গোল্ডেন বয় এওয়ার্ড।
যেখানে এবার সেরাদের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টাইন ফ্রাংকো মাস্তানতুনহো
গত আসরে এই পুরষ্কার জয় করেন লামিন ইয়ামাল। এর আগে জুড বেলিংহামের হাতে যায় এই গোল্ডেন বয় এওয়ার্ড।
এবার এই পুরষ্কার জয়ে ফেভারিট হিসেবে আছেন পাও কুবার্সি, ডিজায়ার ডুয়ো, লুইস স্কেলির মত তরুণরা।
তবে তাদের তালিকায় জায়গা ফ্রাংকো মাস্তানতুনহো।
গত আসরে রিভার প্লেটের হয়ে ২২ ম্যাচে ৭ গোল করেন মাস্তানতুনহো।
এর সাথে থাকে ৪ এসিস্ট। কোপা লিপার্তোদেস, আর্জেন্টাইন লীগ সব জায়গায় পারফর্ম করেন। এরপর সেখান থেকে এই মৌসুমে তাকে কিনে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। এমনকি এর মাঝে মাদ্রিদের স্টার্টার হয়েছেন ১৮ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন।
জাতীয় দলেও ডাক আসে নিয়মিত। মাস্তানতুনহোকে নিয়ে প্রত্যাশা বড়ই ভক্তদের।
তবে সেই প্রত্যাশার পালে এবার হাওয়া লাগিয়ে দিলো ইতালিয়ান সংবাদমাধ্যম টুটো স্পোর্ট।
সেরা অনুর্দ্ধ ২১ বছর বয়সী ১০০ ফুটবলারের তালিকায় রাখা হয়েছে ১৮ এর মাস্তানতুনহো।
তবে সেরা ১০০ তে রাখা হলেও জানা যায় তালিকায় উপরের দিকেই অবস্থান তার। সেখানে তালিকার ২০ নাম্বারে অবস্থান তার, যেখানে তার স্কোর ৭৩.৪। অর্থ্যাৎ মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বিশ্বসেরাদের কাতারে নাম লেখাতে পেরেছেন মাস্তানতুনহো।
গত বছর এই তালিকার নমিনি হিসেবে ছিলেন মোট ৩ জন আর্জেন্টাইন।
চেলসিতে যাওয়া দুই তরুণ আলেহান্দ্রো গার্নাচো ও ফাকুন্দা বুনায়োত্তে ছিলেন এই তালিকায়। এদের সাথে ছিলেন মঞ্জার ভ্যালেন্টাইন কার্বনি। যদিও ৩ জনই তখন ছিলেন অন্য ক্লাবে। তবে এদের কেউই গোল্ডেন বয় পুরষ্কার জিততে পারেননি
এর আগে ২ জন আর্জেন্টাইন এর হাতে উঠে এই পুরষ্কার। একজন দ্যা গ্রেট লিওনেল মেসি।
২০০৫ সালে এই পুরষ্কার পান এলএমটেন। এর এক বছর পর ২০০৭ সালে আবারো এই পুরষ্কার যায় এক আর্জেন্টাইন এর হাতে।
সেবার এই পুরষ্কার পান স্ট্রাইকার কুন আগুয়েরো। তবে এরপর আর কোন আর্জেন্টাইন এর হাতে উঠেনি এই পুরষ্কার।
সেই আক্ষেপ কি পুরণ করবেন মাস্তানতুনহো?
সেই সম্ভাবনা ক্ষীণ। নেই বললেও ভুল হবেনা। তবে মাত্র ইউরোপে আসা মাস্তানতুনহো শীর্ষ কাতারে আছেন, এটাই বড় পাওনা তার জন্য। আর এটাই হয়ত তাকে আগামী দিনে করবে আরো অনুপ্রাণিত।




