নিজের সর্বশেষ সাক্ষাৎকারে কার্লো জানিয়ে দিয়েছিলেন, নেইমারের টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে তার সন্দেহ নেই।
তবে বিশ্বকাপে যেতে হলে একটা শর্ত পুরণ করেই যেতে হবে নেইমিকে। কিন্ত সেই শর্ত থেকেই বারবার সরে যাচ্ছেন নেইমার।
যেখানেই এখন ঝুলে আছে তার বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা।
ইঞ্জুরি আর নেইমার, দুটি শব্দ একটি অন্যের পরিপুরক। নেইমারের সবচেয়ে আপন বা সবচেয়ে বড় শত্রু, দুটোই তার ইঞ্জুরি।
আরো একবার সেই ইঞ্জুরির কাছে ফিরেছেন নেইমার। আর সেই ইঞ্জুরি এখন নেইমারের ভবিষ্যৎ এর বড় কাটা।
অবশ্য ভবিষ্যত নয়, নেইমারের বর্তমানের বড় কাটাও ইঞ্জুরি। সর্বশেষ ম্যাচে এথলেটিকো মিনেরোর বিপক্ষে ৮১ মিনিট খেলেন নেইমার।
এরপর সান্তোসের হয়ে সাও পাওলোর বিপক্ষে ২২ সেপ্টেম্বর মাঠে নামার কথা ছিল নেইমারের। তবে সেটা আর হচ্ছেনা। ইঞ্জুরি নেইমারকে আবারো পিছিয়ে দিচ্ছে সময় থেকে।
পরবর্তী ম্যাচের জন্য নেইমার অনুশীলনের সময় ডান উরুতে ব্যথা অনুভব করে মাঠ ছাড়েন।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় তাঁর ডান উরুর রেক্টাস ফেমোরিস মাংসপেশিতে চোট লেগেছে। যে কারণে ইতিমধ্যেই সান্তোসের মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করেছে সে।
প্রাথমিক ভাবে এই ইঞ্জুরিটাকে গুরুতর মনে হচ্ছে। ফ্যাব্রিজিও রোমানো, টিএনটি স্পোর্টস এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে।
মাসেল ইঞ্জুরির কারণে নেইমার এবার কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে পারেন বলা হয়েছে। সেটা হতে পারে দুই থেকে তিন মাসও।
এতে একটা বিষয় নিশ্চিত, অক্টোবরের ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচে থাকা হবেনা নেইমারের। এমনকি এই ইঞ্জুরির জন্য নভেম্বরের প্রীতি ম্যাচ খেলা হবেনা তার। কিন্ত আদৌ কি ব্রাজিলের হয়ে খেলা হবে নেইমারের। বিশ্বকাপে কি নামবেন নেইমার।
নেইমার পুরোপুরি ফিট না হলে আনচেলত্তির স্কোয়াডে কখনো ডাক পাবেন না। এটা আনচেলত্তি এর আগে জানিয়েছেন।
এমনকি সর্বশেষ বাছাইপর্বের ম্যাচের সময় নেইমারের ফিটনেসকেও তার আপ টু দ্যা মার্ক লাগেনি। তখন টানা ম্যাচ খেলার মাঝে ছিলেন নেইমার।
সেখানে আবার ইঞ্জুরিতে নেইমি। টেকনিক্যালি নেইমার ধারালো সন্দেহ নেই, তবে পারফর্মেঞ্চ নেইমার সুলভ নেই আগের মত।
এর সাথে ফিটনেসে কার্লোর বেঞ্চমার্ক পুরণ হচ্ছেনা। সব মিলিয়ে কি শেষের দিন গুণছেন নেইমার? যদি হলুদ জার্সিতে তাকে আর না দেখা যায়, সেটা বেদনাদায়ক হলেও আর বোধহয় অবাক কারণ হবেনা।




