কোপা লিপার্তোদেসের কোয়ার্টার ফাইনালে লাল কার্ড হজম করেন প্লাটা ।
এরপরও ১০ জনের দল নিয়ে আর্জেন্টিনার ক্লাব এস্তুদিয়ান্তেসকে ২-১ গোলে হারায় ব্রাজিলের ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো। আর এই জয়েই মুখ্য কারিগর পেদ্রো।
শুরুতে তার গোলেই লিড পায় ফ্ল্যামেঙ্গো। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয় জয়ের কারণ।
শুধু এদিন গোল করেছেন পেদ্রো এমন নয়। ধারাবাহিকভাবেই গোল এসিস্ট করছেন তিনি।
শেষ ৬ ম্যাচের ৫ টাতে আছে তার গোল বা এসিস্ট। এর মাঝে এক ম্যাচে তো হ্যাট্রিক সহ করেন মোট ৪ গোল এসিস্ট।
সব মিলিয়ে শেষ ৬ ম্যাচে তার গোল এসিস্টের সংখ্যাটা ৯। গোলের সংখ্যাই এই সময়ে খেলা ম্যাচের চেয়ে বেশি। ৬ ম্যাচে করেছেন ৭ গোল।
কোপা লিপার্তোদেসের আগের লেগে স্বদেশী ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের বিপক্ষে ২ ম্যাচে করেন ৩ গোল। এর মাঝে এক ম্যাচে বদলি নেমে করেন গোল।
আরেক ম্যাচে তার পা থেকে আসে জোড়া গোল।
ভিটোরিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক সহ জোড়া গোল৷ গ্রেমিও এর বিপক্ষে একমাত্র গোলে এসিস্ট। এরপর আবার গোল। দারুণ ছন্দেই আছেন পেদ্রো।
অবশ্য এই কয়েক ম্যাচ নয়, পুরো মৌসুমেই ছন্দে আছেন পেদ্রো। লীগে ১৬ ম্যাচে ১৪ গোল এসিস্ট তার।
১০ গোলের সাথে আছে ৪ এসিস্ট। সব আসর মিলিয়ে করেছেন ১৩ গোল। ধারাবাহিকভাবে এই মৌসুমে গোল করছেন তিনি।
অবশ্য ধারাবাহিকতা তো তার সাথেই যায়। গত ৩ আসর ধরে তার গোলের সংখ্যা ৩০ এর ঘরে।
গত আসরে ৩০ গোল করেছেন, এর আগের দুই মৌসুমে করেছেন ৩১ ও ৩৩ গোল। এর আগের দুই মৌসুমে এত গোল পাননি, তবে ১৮ ও ২৩ গোলের পরিসংখ্যানকেও ভালো বলতে হবে। অর্থ্যাৎ গোল করাটা নেশার মত পেদ্রোর জন্য। এবং সেটা অনেক বছর ধরেই ধারাবাহিকভাবে করে এসেছেন তিনি।
জাতীয় দলে তাই সুযোগ পেতেই পারেন পেদ্রো। অন্তত রিচার্লিসনের বাজে ফর্ম তাকে এনে দিতে পারে সেই সুযোগ।
ক্লাবে রিচার চেয়ে দারুণ ফর্ম তার। ফক্স ইন দ্যা বক্সে দারুণ কার্যকর হতে পারেন। ব্রাজিলিয়ান লীগ থেকে বহু খেলোয়াড় নেন কার্লো।
সেখানেই পেদ্রোর দিকে নজর চাইলে দিতেই পারেন তিনি। অন্তত এমন ধারাবাহিক পারফর্মেঞ্চের পর কোচ কার্লোর কাছে যে বার্তা দিতে পেরেছেন পেদ্রো, তাতে নেই কোন সন্দেহ।




