সাম্প্রতিক ব্রাজিল দলে মেলেছিল সুযোগ। তবে কার্লোর দলে ডাক পাওয়ার পর আর দলে যোগ দেওয়া হয়নি জোয়েলিংটনের।
ইঞ্জুরির কারণে ছিটকে যান দল থেকে। তবে তাতে তো দমে যাওয়া যাবেনা, নিজেকে আবারো প্রস্তত করতে হবে পরবর্তী কল আপের জন্য।
আর সেখানেই এবার নিজেকে আবারো জানান দিলেন এই মিডফিল্ডার। ইফএল কাপে ব্রাডফোর্টের খেলতে নামে নিউক্যাসেল।
আর সেখানে নিউক্যাসেলের ১৭ মিনিটে শুরুর গোল করেন জোয়েলিংটন। এরপর ৭৫ মিনিটে আরো এক গোল করে দলের ব্যাবধান বাড়ান।
শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলে জয় পায় তার দল নিউক্যাসেল।
এদিকে একই ম্যাচে জ্বলে উঠেন আরেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেজ। তিনি তুলে নেন জোড়া এসিস্ট।
এর মাঝে একটা গোল করান জাতীয় দল সতীর্থ জোয়েলিংটনকে দিয়েই। তবে তার আগে ১৯ মিনিটে তার এসিস্টে গোল করেন উইলিয়াম অসুলা।
তার বাড়ানো পিন পয়েন্ট পাসে শুরুতে অসুলা গোল আদায় করেন। দুরপাল্লার পাওয়া বলে ৪ জন ডিফেন্ডার ঘিরে ছিলেন ব্রুনো।
সেখান থেকে স্পেস আদায় করেন, যে স্পেসে রান নেন জোয়েলিংটন। এরপর জোয়েলিংটনের উদ্দেশ্যে বাড়ান বল।
ব্রুনোর অসাধারণ পাস জালে জড়াতে ভুল করেননি আরেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। এসিস্ট ছাড়াও এদিন নানা কি পাস ও চাঞ্চ ক্রিয়েট করতে দেখা যায় ব্রুনোর থেকে।
এদিকে দুর্দান্ত পারফর্মেঞ্চ করে চলছেন ফিলিপে কৌতিনহো। সর্বশেষ ম্যাচেও করেছেন গোল।
শেষ ৩ ম্যাচে গোল এসিস্ট সহ কৌতিনহোর এই মৌসুমে গোল ১১ হয়ে গেছে। বাহিয়ার বিপক্ষে গোল ছাড়াও ১ বড় চাঞ্চ সহ ৩ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, ৪ শট, ২ বার ড্রিবলিং ও ৪ বার ক্রস করেন এই এটাকিং মিডফিল্ডার।
১০ বার পাস দেন ফাইনাল থার্ডে। এর আগের ম্যাচে দলের হয়ে গোল করেন ক্যাসিমিরো। ইউনাইটেডের দুসময়েও তাদের হয়ে ধারাবাহিক এই মিডফিল্ডার।
ওয়েস্ট হ্যামের হয়ে ৬ ম্যাচে ৩ গোল পাকুয়েতার। অপরদিকে চেলসির হয়ে যতটুক সুযোগ পেয়েছেন, ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন সান্তোস।
সব মিলিয়ে বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে ব্রাজিলের মাঝমাঠ। এই মাঝমাঠই ব্রাজিলের বড় চিন্তার নাম।
যদি এই ফর্ম নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারে তারা, তবে অধরা বিশ্বকাপ শিরোপা আসবে ঘরে। একই সাথে স্পেন, আর্জেন্টিনার মত বিশ্ব কাপাবে ব্রাজিলের মাঝমাঠ।




