প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলে পরিবর্তন থাকবে, সেটা অনুমেয়ই ছিল।
তবে স্কালোনির দলের পরিবর্তন ও ফরমেশন একদম সঠিকভাবে নিরুপণ বরাবরই কঠিন।
ভেনিজুয়েলার বিপক্ষেও তার ব্যাতিক্রম হলো না। এদিন সেন্সে, পারাদেস, সেলসো, পাজদের নামিয়ে একাদশ সাজালেন স্কালোনি।
মেসি, আলমাদা, এলিস্টার, মাস্তানতুনহো, অটামেন্ডিরা ছিলেন না একাদশে। তবে তাতে শেষ পর্যন্ত সমস্যা হয়নি।
আরো একবার জয়ী বেশেই মাঠ ছাড়লো আর্জেন্টিনা দল।
এদিন আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক লো সেলসো। ১ বছর পর আর্জেন্টিনার মুল একাদশে সুযোগ পেয়েই নিজের জাদু সেলসোর।
সে সুযোগটা হয়ত হত না, যদি আলমাদা বা মাস্তানতুনহোরা থাকতেন ইঞ্জুরি শঙ্কা মুক্ত। তবে সুযোগ একবার পাওয়ার পর ভুল করেননি সেলসো।
লেফট উইঙ মিডে পারফর্ম তো করেননই, একই সাথে আদায় করেন গোল। ম্যাচের ৩১ মিনিটে আক্রমণে আসে আর্জেন্টিনা।
সেখানে আলভারেজের বাড়ানো বল থেকে ডিবক্সের সামনে বল পান লাউতারো মার্টিনেজ। সে সময় ডিবক্সে রান নেন সেলসো।
ফাকায় থাকা সেলসোকে বল বাড়ান এল তোরো, বল পেয়ে শট করে সেলসো। সেই শটটাই গোলরক্ষককে পরাস্ত করে খুজে নেয় জালের ঠিকানা।
আর তাতেই লিড আর্জেন্টিনা দলের।
এর আগেও অবশ্য বারবার আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। বড় সুযোগ পান নিকো পাজ, তবে সেটা কাজে লাগাতে পারেননি।
লাউতারো মার্টিনেজের একাধিক শটেও গোল পায়নি আর্জেন্টিনা দল। মাঝে আর্জেন্টিনার মাঝে ব্যাবধান হয়ে দাড়ান ভেনিজুয়েলার গোলরক্ষক কন্ট্রেস।
একের পর এক সেভ দিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করতে থাকেন। অপরদিকে আলভারেজ চেষ্টা করেও গোল আদায় করতে পারেননি।
ম্যাচে একাধিক সুযোগ পায় ভেনিজুয়েলাও। ২৩ মিনিটে কাউন্টার এট্যাক থেকে সুযোগ পায় তারা,তবে দুরপাল্লার শটে গোল আদায় করতে পারেনি।
৩০ মিনিটে মেন্ডোজার বাড়ানো ক্রসে ফাকায় বল পেয়েও হেডে বল বাইরে মারেন মার্কুইজ।
দুই মিনিট পর কাউন্টারে গিয়েও ট্যাকেলে পরাস্ত হয় দল।
৭৩ মিনিটে ভেনিজুয়েলার কোয়ান্টারো শট করলে সেটা ফিরে আসে বারে লেগে। আর তাতে ম্যাচে ফেরা হয়না ভেনিজুয়েলার।
যদি ম্যাচে আধিপত্য ছিল আর্জেন্টিনারই। ৮ টা বড় সুযোগ পেয়ে সবগুলো মিস করে তারা, নাহয় ব্যাবধান বাড়তে পারত আরো।
লাউতারো, আলভারেজরা একের পর এক সুযোগ তৈরি করে শট করলেও তারাই আবার সুযোগ মিস করে।
ফলে এক গোলের জয় নিয়েই সন্তোষ্ট থাকতে হয় আর্জেন্টিনা দলকে।
তবে একাধিক খেলোয়াড়কে বেঞ্চে রেখে এই জয় আর্জেন্টিনাকে প্রেরণাই দেবে।
একই সাথে সুযোগ পেলে বদলিরাও যে জ্বলে উঠতে পারেন, সেটারই প্রমাণ আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়রা রাখলেন আরো একবার।




