ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে আগের ম্যাচে নেমেছিলেন বদলি হিসেবে।
অবশ্য দলীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্যই তাকে নামাননি কোচ স্কালোনি।
সেখানে অবশ্য সুযোগ পেয়ে নিজেকে নিয়ে কোন যদি কিন্ত রাখতে চাননি এলেক্সিস ম্যাক এলিস্টার।
আর্জেন্টিনার হয়ে এদিন পারফর্মই করলেন না, একই সাথে আদায় করলেন জোড়া গোল।
পুয়ের্তা রিকোর বিপক্ষে এদিন ডেডলক ভাঙেন ম্যাক এলিস্টার। দুর্বল প্রতিপক্ষ হলেও শুরুতে তাদের বিপক্ষে গোল পাচ্ছিল না আর্জেন্টিনা দল।
সেখান থেকে আর্জেন্টিনাকে লিড এনে দেন এলিস্টার। ১৪ মিনিটে বামদিক থেকে ক্রস দেয় আর্জেন্টিনা।
সে ক্রস থেকে বল পেয়ে শট করেন লিওনেল মেসি। মেসির শট গোল না হয়ে ফিরে আসে গোলবারে লেগে।
ফিরতি বল পান নিকো গঞ্জালেস, গোলের দিকে করেন শট। তবে সে শটে গোল হবার সম্ভাবনা ছিল ক্ষীণ, কেননা তেমন জোড় ছিল না শটে।
কিন্ত সেখানেই ফাকা স্পেস কাজে লাগান এলিস্টার। এগিয়ে এসে হেড করেন, যাতে কিছুই করার ছিল না পুয়ের্তা রিকোর গোলরক্ষকের।
আর তাতেই লিড পায় আর্জেন্টিনা দল।
এরপর দলের হয়ে তৃতীয় গোলও আসে এলিস্টারের পা থেকে৷ ৩৬ মিনিটে এবার পুয়ের্তো রিকোর ডিবক্সে হযবরল অবস্থা সৃষ্টি করে দুই দল।
সেখানে গঞ্জালেসের উদ্দেশ্যে বাড়ানো হয় ক্রস, তবে সেখানে গোল আদায় করতে পারেননি তিনি।
অপরদিকে বল নেওয়ার চেষ্টা করেন আরেক আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় লোপেজ, তবে তিনিও সুযোগ পাননি।
আর সেখানেই ফাকায় বল পান এলিস্টার। আর তাতে আবারো জোড়ালো শট, গোল আদায় আর্জেন্টিনা দলের।
যে গোলের কারণে শুরুর হাফেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা দল, যেখানে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় প্রতিপক্ষ পুয়ের্তো রিকো।
আর্জেন্টিনা দলের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে বড় ভুমিকা রাখেন ম্যাক এলিস্টার।
লিভারপুলের হয়ে ধারাবাহিক পারফর্মার তিনি, আর্জেন্টিনা দলেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তবে ম্যাক যে এক পদেই নিজের জায়গা দেখাতে চাননা। সেখানে মাঝমাঠে কন্ট্রোল দেখানো ম্যাক দেখালেন, স্পেস পেলে তিনিও দুর্দান্ত ফিনিশ করতে পারেন।
এমনিতে দুরপাল্লার শটে তার সুনাম রয়েছে। এর বাইরে দলের হয়ে যদি স্পেস তৈরি করে নিয়মিত গোল আদায় করতে পারেন, তাতে যেন উপকৃত হবে আর্জেন্টিনা দলই।
একই সাথে মাঝমাঠে ম্যাকের এই অবদান দলের জন্য হবে বাড়তি পাওনা।




