একটা সময় তাকে গোট বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা হত। তাকে নিয়েই করা হত সবচেয়ে বেশি হাস্যরস।
এন্থনির ক্যারিয়ার শেষ বলেও অনেকে অভিহিত করেন। তবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে বেরিয়ে আবারো নিজেকে প্রমাণ করতে সময় নেননি এই এট্যাকার।
রিয়াল বেটিসের হয়ে একের পর এক দুর্দান্ত পারফর্মেঞ্চ করে চলছেন।
এবার তার জোড়া গোলে পিছিয়ে থেকে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল বেটিস।
ভিলারিয়ালের বিপক্ষে খেলতে নেমে ৬৫ মিনিটের মাঝে ২ গোলে পিছিয়ে যায় রিয়াল বেটিস।
৪৪ মিনিটে বৌচানানের গোলের পর ৬৫ মিনিটে গোল করেন মলেরিও। তখন মনে হচ্ছিল হারের মুখ দেখতে যাচ্ছে বেটিস।
তবে সেখান থেকে দলের ত্রাতা হন এন্থনি। ৬৭ মিনিটে ডিবক্সের বাইরে থেকে বা পায়ের দারুণ এক শট করেন, যেখানে অল্প স্পেস পেলেও দারুণভাবে ডিফেন্ডার ও অন্যদের পরাস্ত করেন।
এরপর দ্বিতীয়ার্থের অতিরিক্ত সময়ে আবারো একই ধরণের শটে করেন গোল। তার দুই গোলে ২-০ থেকে ২-২ এ মাঠ ছাড়ে রিয়াল বেটিস।
এই আসরে রিয়াল বেটিসের হয়ে তৃতীয় গোল এন্থনির।
শেষ ম্যাচেও গোল ছাড়াও ৮৪ ভাগ হারে ৬৬ সফল পাস, ৩ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, ৫ বার শট, ৩ বার সফল ক্রস, ৬ বার একুরেট লং বল দেন।
এর বাইরে ৮ বার রিকভারি করেন, ২ বার জিতেন ডুয়েলস৷ লীগে ৯ টি সফল লং বল, ১০ চাঞ্চ ক্রিয়েট, ৭ সফল ক্রস, ২৬ বার রিকভারি,৬ ট্যাকেল, ২৩ বার ডুয়েলস জয় করেন মাত্র ৫ ম্যাচেই।
নিসন্দেহে এই মুহুর্তে এন্থনির মত ভার্সেটাইল খেলোয়াড় যেকোন দলের জন্য আর্শীবাদ।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ৯৬ ম্যাচে ১৮ গোল এসিস্ট করেন এন্থনি। সেটা রিয়াল বেটিসে ৩ ভাগের এক ভাগ ম্যাচেই এর বেশি করলেন এই উইঙ্গার। বেটিসের হয়ে ১৯ গোল এসিস্ট তার, ১২ গোলের সাথে আছে ৭ এসিস্ট।
ইউনাইটেডে সমান গোল করলেও এসিস্ট একটি কম। অর্থ্যাৎ নতুনরুপে নিজেকে ভালো করেই মেলে ধরেছেন এন্থনি, তাতে নেই সন্দেহ।
উইঙে ব্রাজিলে একাধিক খেলোয়াড় আছে, তবে এন্থনির মত ভার্সেটাইল একজন সেখানে শক্তি বাড়াবে।
এছাড়া চাইলেই তাকে খেলানো চায় এটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবেও। এই মুহুর্তে তাই ব্রাজিল দলের আলোচনায় থাকা উচিত এন্থনির নাম, ২০২৬ বিশ্বকাপে এই খেলোয়াড় হতে পারেন দলের ট্রাম্প কার্ড।




