সর্বশেষ মাঠে নেমেছেন গত মৌসুমে। লা লীগায় সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামেন এই বছর মে মাসে।
মে থেকে অক্টোবর, এই ৬ মাসে একবারও মাঠে নামা হয়নি এন্ড্রিকের।
এর মাঝে ইঞ্জুরি ছিল মাঝে অনেকদিন, ইঞ্জুরি থেকে ফিরে ৬ ম্যাচ স্কোয়াডে থাকলেও সুযোগ পাননি ১ মিনিটও।
সর্বশেষ ম্যাচে এ নিয়ে রাগ ঝাড়তেও দেখা গেছে তাকে। সব মিলিয়ে তাই প্রশ্ন, কোথায় যাবে এন্ড্রিক?
এন্ড্রিককে নিতে আগ্রহের কাতারে আছে কয়েক নাম। আর সেখানে সবচেয়ে বড় নামগুলোর মাঝে আছে পিএসজি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
গোল ডট কম, ট্রান্সফার ফিডের মত ওয়েবসাইট জানিয়েছে পিএসজির এন্ড্রিককে নেওয়ার সংবাদ।
পিএসজির আক্রমণে আছে একাধিক ইঞ্জুরি সমস্যা, ডেম্বেলে, ডূয়োরা ইঞ্জুরিতে থাকেন।
এর বাইরে আক্রমণভাগে আছে খেলোয়াড়দের ঘাটতি। সে ঘাটতি পুরণে এন্ড্রিককে নেওয়ার দৌড়ে আছে পিএসজি।
এছাড়া লোনে এন্ড্রিককে নিতে চায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই মৌসুমে দল ছাড়েন ইউনাইটেডের রসমাস হজলান্ড।
এই মৌসুমে লোনে যান হজলান্ড। সেখানে কুনহাকে কেনা হলেও তিনি প্রোপার গোলস্কোরার বা নাম্বার নাইন নয়৷ আর সেখানেই এন্ড্রিকের দিকে নজর ইউনাইটেডের৷ এন্ড্রিকের মত একজন গোলস্কোরারকেই নিজেদের দলে নিতে চায় ইউনাইটেড।
তবে এন্ড্রিককে নিতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ফ্রাঞ্চের ক্লাব অলিম্পিক মার্শেই৷ ফ্রাঞ্চের ক্লাবটি বর্তমানে পিএসজিকে টপকে আছে কা লীগার শীর্ষস্থানে।
বালের্দি, পাশাও, গ্রিনউড, রুল্লিদের মত খেলোয়াড় আছে এই মার্শেই দলে। আর সেখানেই তারা দলে ভেড়াতে চায় এন্ড্রিকিকে।
এমনকি নিয়মিত গেমটাইম দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয় তারা
এন্ড্রিক প্রতিভাবান, তাতে নেই কোন সন্দেহ। কিন্ত রিয়াল মাদ্রিদে যেভাবে একের পর এক ম্যাচ বসে থাকছেন, তাতে ধীরে ধীরে ছিটকে যাচ্ছেন বিশ্বকাপের রেস থেকে।
অপরদিকে ক্লাব পরিবর্তন করে অনেকেই আবার ফিরেছেন জাতীয় দলের রাডারে। সেই তালিকায় আছেন কাইও জর্জ, এন্থনি, এডারসনরা।
সেখানে এন্ড্রিকের সামনে এখনও সুযোগ আছে। কেননা তার নাম্বার নাইন পজিশনে শুন্যতা এখনও আছে ব্রাজিল দলে।
তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এন্ড্রিককেই। বিশ্বকাপ খেলার ভাবনায় লোনে বা পার্মানেন্ট যাবেন অন্য ক্লাবে, নাকি রিয়াল মাদ্রিদে অপেক্ষা করবেন সফল ক্লাব ক্যারিয়ার গড়তে।




