যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিওনেল মেসি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
তবে তিনি একটিমাত্র শর্তে খেলতে রাজি,যদি শরীর তাকে সাড়া দেয়, অর্থাৎ যদি তিনি নিজেকে শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট মনে করেন।
মেসি বলেন, “সত্যি বলতে বিশ্বকাপে খেলা এক অসাধারণ অনুভূতি। আমি সেখানে থাকতে চাই। তবে সেটি নির্ভর করবে আমি কতটা ফিট আছি তার ওপর।
আগামী মৌসুমে ইন্টার মায়ামির হয়ে প্রস্তুতি শুরুর পর প্রতিদিন নিজের অবস্থা দেখব,আমি শতভাগ ফিট কি না। যদি শরীর ভালো থাকে, তবে অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলব।”
এই আর্জেন্টাইন তারকা আরও জানান, আগেরবারের মতো এবারও তিনি সতর্কভাবে ভাবছেন সিদ্ধান্তটি।
কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক সক্ষমতাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “যখন ভালো থাকি, তখন ফুটবল উপভোগ করি।কিন্তু শরীর সাড়া না দিলে আনন্দ পাই না। তাই ভালো না লাগলে থাকতে চাই না।”
২০২৫ মৌসুমে ইন্টার মায়ামির হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন মেসি। মেজর লিগ সকারে ২৮ ম্যাচে ২৯ গোল করে তিনি প্রথমবারের মতো জিতেছেন এমএলএস গোল্ডেন বুট।
পাশাপাশি এমএলএস এমভিপি পুরস্কারের ফাইনালিস্টও হয়েছেন। যদি এই পুরস্কার জেতেন, তবে তিনিই হবেন প্রথম ফুটবলার, যিনি টানা দুই মৌসুমে এমভিপি জিতবেন।
বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের অবস্থান আগেও ব্যাখ্যা করেছিলেন মেসি।
গত সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বিরতির সময় তিনি বলেছিলেন, “সবকিছু নির্ভর করছে আমি কতটা ফিট থাকি তার ওপর।” এবারও একই বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারের শেষদিকে মেসি বলেন, “এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। মৌসুম শেষ করব, প্রাক-মৌসুমে প্রস্তুতি নেব।
তখন ছয় মাস বাকি থাকবে বিশ্বকাপের। তারপর দেখা যাবে আমি কেমন অনুভব করি। আশা করছি, ফিট থাকলে জাতীয় দলের হয়ে আবারও বিশ্বমঞ্চে নামার সুযোগ পাব।”
অর্থাৎ, লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ মিশনের একমাত্র শর্ত শারীরিক ফিটনেস। যদি শরীর সাড়া দেয়, তবে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে আরেকবার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখবেন তিনি।




