গত ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে চেলসি। ফাইনালে চ্যাম্পিয়নস লীগ জয়ী পিএসজিকে উড়িয়ে দেয় তারা।
সেই চেলসিকে নিয়েই ছেলেখেলা করে ফ্ল্যামেঙ্গো। তাদেরকেই হারিয়ে দেয় ৩-১ গোলে।
ফলাফলের চেয়ে সেদিন নজর কেড়েছিল ফ্ল্যামেঙ্গোর পুরো ম্যাচে পারফর্মেঞ্চ। শেষ পর্যন্ত জায়ান্ট বায়ার্নের কাছে হেরে বাদ পড়লেও পুরো আসরেই প্রশংসিত হয় ফ্ল্যামেঙ্গোর পারফর্মেঞ্চ। আর নেপথ্যে একজন নাম, ফিলিপে লুইজ
উচ্চতায় কিছুটা লম্বা, শারীরিক গড়ন পাতলা, মুখভঙ্গি শান্ত। মনে হয় কিছু নিয়ে ভাবছেন।
আবার দলের সাফল্যেও খুব বেশি উজ্জাপন করেননা। বয়সটাও ৪০ এর ঘরেই। ডাগআউটে থাকা এই কোচের দলের হয়ে সাফল্যও ভারী।
মনে হতে পারে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে নিয়ে বলা হচ্ছে। তবে স্কালোনি নয়, বরং এতকিছু বলা স্কালোনির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ব্রাজিলের একজন কোচকে নিয়ে। আর তিনিই ফিলিপে লুইজ।
কিন্ত কি করেছেন ফিলিপে লুইজ? কেন তাকে নিয়ে এত উচ্চাশা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ফুটবল থেকে নেন অবসর।
এর কিছুদিন পর আসেন কোচিংএ৷ শুরুটা তার ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গোর অনুর্দ্ধ ১৭ দলের হয়ে, যেখানে দলকে নিয়ে জয় করেন শিরোপা।
এরপর প্রমোশন পেয়ে আসেন অনুর্দ্ধ ২০ দলে। সেখানেও জয় করেন একটি শিরোপা। যে কারণে এক বছরের মধ্যেই ফ্ল্যামেঙ্গোর খেলোয়াড় থেকে হয়ে যান কোচ।
আর সেখানে এসেও ধরে রাখেন সাফল্যধরা। ১ বছরের মাঝে অর্জন করেন ৪ শিরোপা। সুপারকোপা জয় করেন, কারিকাও এর শিরোপা জয় করেন। সব মিলিয়ে ৪ শিরোপা জয় করেন। এবার আছেন ৫ম শিরোপার সামনে
বর্তমানেও আছেন দারুণ ফর্মে। দলকে নিয়ে গেছেন মহাদেশীয় আসরের ফাইনালে।
পালমেরাসের বিপক্ষে জয় পেলে জিতবেন মহাদেশীয় শিরোপা। পালমেরাসের সামনে আরো এক শিরোপা জেতার সুযোগ লুইসের।
ব্রাজিলের সিরিআতে দ্বিতীয়তে আছে ফ্ল্যামেঙ্গো। আর সেখানে পয়েন্টের ব্যাবধান মাত্র একে।
অর্থ্যাৎ পালমেরাসের সাথে দুটি শিরোপা জয়ের সামনে লুইস। এমন একজন কোচকেই যেন খুজছে ব্রাজিল দল। আগামী দিনে অনেকে তাকে ভাবেন কার্লোর শিষ্য। সেই দায়িত্ব পেলে স্কালোনির মত ইতিহাস রচনা করুক লুইস, এই প্রত্যাশাই থাকবে ভক্তদের।




