দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল যেন প্রতিভার খনি। আর সেখান থেকেই প্রতিভারা যায় ইউরোপিয়ান ফুটবলে। বর্তমানে লাতিন ফুটবলারদের চাহিদা এতটাই, যে ১৮ বছর হবার আগেই তাদেরকে দলে পেতে ইউরোপীয়ান ক্লাবগুলোর টানাটানি শুরু হয়। আর বিশ হবার আগেই যেন তারা হয়ে যান সবার হটকেক। যে কারণে অনুর্দ্ধ ২০ বয়সের সেরা ট্যালেন্টের দাম আকাশচুম্বী। যেখানে সবার উপরে থাকা এস্তেভাও এর দাম প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা, ইউরোপের মুদ্রায় ৬০ মিলিয়ন ইউরো।
শুধু এস্তেভাও নয়, তালিকায় আছেন আরো ৬ জন ব্রাজিলিয়ান। এই তালিকার তিনে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার এন্ড্রিক।
এক সময় অনেক হাইপে থাকা এন্ড্রিকের মুল্য কমেছে বটে, তবে এখনও তার মার্কেটমুল্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।
৩৫ মিলিয়ন ইউরোর এন্ড্রিকের মুল্য বাংলাদেশের টাকায় ৪৯৪ কোটি টাকা তালিকার চারে আছেন ডিফেন্ডার ভিটর রেইস।
এই মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে জিরোনায় গিয়েছেন রেইস। এই সেন্টার ব্যাক সেখানে ভালো পারফর্মেঞ্চ করছেন। বর্তমানে রেইসের মার্কেট মুল্য ৩০ মিলিয়ন ইউরো, যা বাংলাদেশের টাকায় ৪২৫ কোটি টাকা।
তালিকার ছয় ও সাতে আছেন ব্রাজিলের আরো দুই মুখ ভিটর রক ও রায়ান। দুইজনই ব্রাজিলিয়ান লীগে এই মৌসুমে দুর্দান্ত পারফর্ম করে যাচ্ছেন। এর মাঝে রায়ান আছেন ইউরোপের বড় ক্লাবের নজরে, আর ভিটর রক ইউরোপ থেকে এসে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন।
বর্তমানে রকের মুল্য ২৮২ কোটি টাকা, ২৫৪ কোটি টাকা মুল্য রাইট উইঙ্গার রায়ানের।
তালিকার নয় ও দশে ব্রাজিলের গোমেজ ও ইলিয়াস। গোমেজ খেলেন এফসি পোর্তোতে, সেখানে নিয়মিত খেলছেন একাদশে।
আর ইলিয়াস খেলেন রাশিয়ান ক্লাব শাখতার। এই মৌসুমে সেখানে চার গোল এই স্ট্রাইকারের।
তাদের মুল্য যথাক্রমে ১৫ মিলিয়ন ও ১৪ মিলিয়ন ইউরো। যা বাংলাদেশের টাকায় ২১২ কোটি ও ১৯৮ কোটি টাকা।
এই তালিকায় আছেন তিন আর্জেন্টাইন ফুটবলারও। রিয়াল মাদ্রিদ দলে এই মৌসুমে আসা রাইট উইঙ্গার ফ্রাংকো মাস্তানতুনহো আছেন এস্তেভাও এর পরেই। তালিকার পাচে আছেন এই মৌসুমে ব্রাইটন ছেড়ে চেলসিতে যাওয়া বুয়ানত্তে।
আর তালিকার সাতে লেভারকুসেনে লোনে যাওয়া এটাকিং মিডফিল্ডার ক্লাদিও ইচভেরি৷ ফ্রাংকোর মুল্য ৭৫০ কোটি টাকা বা ৫০ মিলিয়ন ইউরো। চারে থাকা বুয়ানত্তের দাম ৪২৫ কোটি টাকা। আর সাতে থাকা ইচভেরির মার্কেট ভ্যালু ২৫৪ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এই তালিকায় ব্রাজিলের দাপট হলেও আছে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাময়ী কিছু নাম।




