ম্যানচেস্টার সিটি থেকে এসেছেন এক মৌসুম আগে। সিটির হয়ে ভুড়ি ভুড়ি শিরোপা জিতলেও এথলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে এখনও অধরা শিরোপা।
তবে একটা বিষয়ে আগের মতই আছেন আলভারেজ, আর সেটা তার পারফর্মেঞ্চ।
বরং এই জায়গায় আরো ক্ষুরধার হয়েছেন তিনি। বছরের পর বছর পারফর্ম করে ভক্তদের আস্থার জায়গায় শীর্ষে উঠেছেন।
এই মৌসুমেই আলভারেজ করেন মোট ১৪ গোল এসিস্ট। ৮ গোলের সাথে করেন ৬ এসিস্ট।
সর্বশেষ ৩ ম্যাচে করেন ৩ গোল এসিস্ট। সর্বশেষ ম্যাচে গোল করেন চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে।
যেখানে তার গোলেই লিড পায় এথলেটিকো মাদ্রিদ৷ এর আগে সর্বশেষ আর্সেনালের বিপক্ষে গোল এসিস্ট পাননি, তবে সে ম্যাচে ছিলেন দলের সর্বোচ্চ রেটিং ধারী খেলোয়াড়।
এর আগে এই মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদকে উড়িতে দিতে বড় ভুমিকা রাখেন আলভারেজ।
সেখানে করেন জোড়া গোল। এরপর ফ্রাংকফুর্টের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচে করেন ৩ গোল এসিস্ট, ২ এসিস্টের সাথে ছিল ১ গোল।
রায়ো ভায়কানোর সাথে তার হ্যাট্রিকে জয় পায় দল। ক্লাব বিশ্বকাপে দল বাদ পড়লেও ভালো করেন আলভারেজ
গত মৌসুমে এথলেটিকোর হয়ে কোন শিরোপা জয় করেননি বটে, তবে ৩৬ গোল এসিস্ট করেন দলটির হয়ে।
এর মাঝে সব আসর মিলিয়ে করেন ২৯ গোল। এথলেটিকোর মাদ্রিদের মত দল যারা খেলে থাকে ডিফেন্সিভ ফুটবল, তাদের হয়ে এত গোল করা প্রমাণ করে আলভারেজের স্কিল।
এর আগের মৌসুমে সিটির হয়ে ৩০ এর অধিক গোল এসিস্ট করেন। ইউরোপে এসে কখনই পড়তি ছিল না আলভারেজের পারফর্মেঞ্চ।
শুধু যে ক্লাবে ভালো করেন, তা একদমই নয়। এই বছর আর্জেন্টিনার হয়ে ৬ ম্যাচ শুরুর একাদশে থেকে করেছেন ৪ গোল এসিস্ট।
সমান দুটি করে গোল ও এসিস্ট করেছেন। আর্জেন্টিনাও যে খুব বেশি গোলের পর গোল করেছেন এমন নয়। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ গোলই এসেছে আলভারেজের পা থেকে।
এতকিছুর পর তাই সহজেই আলভারেজকে মেসির উত্তরসুরীর ট্যাগ দেওয়া যায়।
হ্যা লিওনেল মেসি হতে পারবেন না তিনি, সেটা হওয়া সহজ নয়৷ তবে মেসির অবসরের পর দলের আক্রমণভাগে একটা দারুণ ট্রাকে রাখতে পারবেন আলভারেজ।
আর তাতে আগামী দিনে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে আলভিসেলেস্তা ভক্তদের। শুধু এই আলভারেজের হারিয়ে যাওয়া যাবেনা, এটাই থাকবে আশা।




