ঘরের মাঠে নভেম্বরে এবার দুই ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের মুল লড়াই থাকবে, তার আগে থাকবে নেপাল পরীক্ষা।
এবার দুই ম্যাচের জন্যই দল ঘোষণা কোচ কাবরেরার। আর সেই দলে ২৭ জনের জায়গা হলেও নেই আনিসুর রহমান জিকো।
গোলরক্ষক পজিশনে ৪ জনকে ডেকেছেন কোচ কাবরেরা। মিতুল মার্মার সাথে মেহেদী হাসান শ্রাবণ আছেন দলে৷ তাদের সাথে ডাক পেয়েছেন সুজন হোসেন ও পাপ্পু হোসেন। কিন্ত কোথাও নেই একসময়ের সেরা গোলরক্ষক জিকো।
অথচ এই জিকোকে নিয়ে সয়লাব ছিল দর্শকরা।
আর তার কারণও ছিল। হংকং এর বিপক্ষে ঘরের মাঠে ৩ গোল দিয়েও হেরে যায় বাংলাদেশ।
সেখানে যতটা দায় ছিল বাংলাদেশের ডিফেন্স ও মিডে কিছু খেলোয়াড়ের, আবার দায় এড়াতে পারেননা গোলরক্ষক মিতুল মার্মা।
এর আগে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও মিতুলের গোলকিপিং প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সেখানেই অনেকে আগামী ম্যাচে চেয়েছেন জিকোকে।
একদিকে মিতুলের অফফর্ম, আরেকদিকে তার উচ্চতাও আন্তজার্তিক গোলরক্ষকদের সাথে মাননসই নয়৷ যে কারণে অনেকেই মিতুলের বদলি হিসেবে চেয়েছেন জিকোকে।
তবে মুল একাদশে দূরে থাক, কাবরেরার ২৭ জনের দলেও জায়গা মিললোনা জিকোর।
জিকো আন্তজার্তিক মঞ্চে প্রমাণিত এক মুখ। পারফর্মেঞ্চ নয়, জিকো বাদ পড়েন শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে।
কিন্ত এরপর আর সুযোগই আসেনি তার। একই অপরাধের পর মুরসালিন ফিরলেও ফিরতে পারেননি জিকো
এমন নয় যে জিকোর বর্তমান ফর্ম বেশ বাজে। সর্বশেষ ম্যাচে বসুন্ধরার কিংসের হয়ে দারুণ পারফর্ম করেন জিকো।
সেখানে দেখিয়ে দেন এখনও জিকোর ক্লাশ আছে। এমনকি দলের প্রধান গোলরক্ষকের চেয়ে ভালোই ছিল তার পারফর্মেঞ্চ৷
কিন্ত এরপরও কোচের নজর কাড়তে পারেননি জিকো। অন্তত ২৭ জনের দলেও থাকলোনা।
গোলরক্ষক পজিশনে পাপ্পু, সুজনরা ডাক পেয়েছেন। এদের দিয়ে ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা খুব কম থাকার কথা কোচের। অন্যদিকে জিকোকে দলে আনলে অন্তত মুল একাদশে না রাখলেও প্রতিযোগিতা বাড়ত দলের মাঝে। আর তাতে মিতুলও সেরাটা দিতে আগ্রহী হতেন।
কিন্ত সেই পথটাও খোলা রাখলেন না কোচ কাবরেরা। তাতে একটা বিষয় পরিষ্কার হলোনা, গোলরক্ষক পজিশনের সমাধান খুব শীঘ্রিই হচ্ছেনা।
অন্তত কাবরেরার সেখানে কোন স্বদিচ্ছা দেখা যাচ্ছেনা। আর এ কারণে আগামী দিনে মাঠের খেলায় আরো ভুগতে হতে পারে বাংলাদেশ দলকে।




