ক্লাব বিশ্বকাপে খেলার পর এই মৌসুমে যোগ দেন ইপিএলের ক্লাব চেলসিতে। এখানে এসেছেন ৩ মাসও হয়নি।
চেলসির খেলোয়াড়ের আধিক্যের কারণে সব ম্যাচে একাদশেও সুযোগ মেলেনা। তবুও ১৮ বছর বয়সী এস্তেভাও যা করছেন, সেটা অবিশ্বাস্য।
চেলসির হয়ে এবার আরো এক ম্যাচ জ্বলে উঠলেন এস্তেভাও। আর সেখানে রেকর্ডও করে বসলেন এস্তেভাও।
চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচে কারাবাগের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে মাঠে নামে চেলসি।
আর সেখানে চেলসির হয়ে একাদশে জায়গা পেয়ে শুরুর গোলটাই করেন এস্তেভাও৷ ম্যাচের ১৬ মিনিটে এস্তেভাও এর ক্লাসিক কাট ইনের ফিনিশিং যেন তার স্কিলকেই ফুটিয়ে তোলে। যাতে করে ম্যাচে লিড পায় চেলসি।
যদিও এরপর লিড ধরে রাখতে পারেনি ব্লুজরা। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি।
তবে তাতেই রেকর্ডের পাতায় নাম লেখান এস্তেভাও। চেলসির হয়ে এর আগের চ্যাম্পিয়নস লীগ ম্যাচে গোল করেন আয়াক্সের বিপক্ষে।
এর পরের ম্যাচেই গোল করলেন কারাবাগের বিপক্ষে। এস্তেভাও লাতিন আমেরিকান একমাত্র ফুটবলার, যিনি ১৮ বছর বয়সে চ্যাম্পিয়নস লীগের টানা দুই ম্যাচে গোল করেছেন। লাতিন আমেরিকা থেকে মেসি, নেইমার সহ অনেক তারকা আসলেও কেউ এই রেকর্ড ছুতে পারেননি।
এর সাথে এই ম্যাচে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের পুরষ্কারটাও বাগিয়ে নেন এস্তেভাও৷ পুরো ম্যাচে ৩ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন, ৩ বার করেন শট, ৬০ ভাগ হারে তিনবার করেন সফল ড্রিবলিং। ডিফেন্সে ৪ বার ট্যাকেল ও ৩ বার রিকভারি করেন। মোট ৮ বার জয় করেন ডুয়েলস।
দল জিততে না পারলেও এদিন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ঠিকই হন এস্তেভাও ।
কার্লোর অধীনে নিয়মিত মুখ এস্তেভাও। এর মাঝে ব্রাজিলের হয়েও গোল পাওয়া হয়ে গেছে তার। অপরদিকে ক্লাবেও ভালো করছেন।
ইপিএল,ইএফএল, চ্যাম্পিয়নস লীগ সব আসরে গোল পাওয়া হয়ে গেছে তার, হচ্ছেন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ, করছেন রেকর্ড।
সব মিলিয়ে দারুণ এক ফুটবলারে পরিণত হচ্ছেন এস্তেভাও।
যদিও সমর্থকদের স্বপ্নটা বড়। নেইমারের পর ব্রাজিলের সেরা ট্যালেন্ট বলা হয় তাকে। আরেকটা নেইমার হোক, সেটাই চাওয়া ভক্তদের।
অপরদিকে এস্তেভাও ধীরে ধীরে ক্লাব ও জাতীয় দলে ভালো করছেন, বড় তারকা হওয়ার দিকে আগাচ্ছেন। আগামী দিনে এই ধারা ধরে রেখে ক্লাব ও জাতীয় দলে দীর্ঘদিন পারফর্ম করে বড় তারকা হন এস্তেভাও, এটাই চাওয়া থাকবে সবার।
আবারো রেকর্ড ব্রাজিলের এস্তেভাও এর, নতুন নেইমার আগাচ্ছেন ঠিকভাবেই




