আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি জয়ের দূরত্বেই ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার টিকিট।
কিন্তু ডাবলিনে ট্রয় প্যারটের দুর্দান্ত জোড়া গোলে হেরে গিয়ে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেছে পর্তুগাল।
বদলে এখন অপেক্ষা করতে হবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। আর্মেনিয়ার বিপক্ষে জয় পেলেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত হবে, অন্যথায় রোনালদোদের পড়ে যেতে হতে পারে কঠিন সমীকরণের ফাঁদে।
‘এফ’ গ্রুপে পাঁচ ম্যাচ শেষে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পর্তুগাল।
সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে হাঙ্গেরি এবং ৭ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আয়ারল্যান্ড। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে আর্মেনিয়া।
আর্মেনিয়ার বিপক্ষে সম্ভাব্য জয় ধরলে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানটি নির্ধারিত হবে হাঙ্গেরি ও আয়ারল্যান্ডের লড়াইয়ে। তবে পর্তুগাল যদি অঘটনের শিকার হয়, তাহলে তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন জটিল হতে পারে।
তবে ফলাফলের সমীকরণের বাইরেও পর্তুগালের বড় দুশ্চিন্তা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে। ম্যাচের ৬১ মিনিটে আইরিশ ডিফেন্ডার দারা ও’শেয়াকে কনুই মেরে বসায় প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ভিএআরের পর সিদ্ধান্ত বদলে লাল কার্ড দেখানো হয়।
পর্তুগালের জার্সিতে এটি রোনালদোর প্রথম লাল কার্ড,তার ২২৬তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে এসে এমন ঘটনার মুখোমুখি হলেন ৩৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ক্যারিয়ারে এর আগে ১২টি লাল কার্ড পেলেও সবই ছিল ক্লাব ফুটবলে।
রোনালদোর এই লাল কার্ডের পর থেকেই শুরু হয়েছে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা।
ফিফার শাস্তি বিধান অনুযায়ী কনুই মারা বা এ ধরনের সহিংস আচরণের শাস্তি ন্যূনতম তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা।
সেই নিয়ম কার্যকর হলে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচের পাশাপাশি পর্তুগালের আরও দুটি ম্যাচে দেখা যাবে না তাকে।
অর্থাৎ পর্তুগাল যদি বিশ্বকাপ নিশ্চিতও করে, টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে রোনালদোকে মাঠের বাইরে থাকার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
এখন সব নজর ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির দিকে। তারা কী শাস্তি নির্ধারণ করে তার ওপরই নির্ভর করবে বিশ্বকাপের শুরুতেই পর্তুগালকে খেলতে হবে কিনা তাদের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে ছাড়া।




