হামজা চৌধুরি গোল করেন, বাইসাইকেল করেন, আবার ট্রাকব্যাক করেন, ডিফেন্স করেন।
।এক হামজা বাংলাদেশের হয়ে যেভাবে ভুমিকা রাখেন, সেটা সবার কাছেই নজরকাড়া। হামজার মত সোমিত, কিউবারাও মাঝমাঠে দুর্দান্ত পারফর্মেঞ্চ করেন।
কিন্ত আক্রমণভাবে যদি আসেন হামজার কাছাকাছি মানের একজন, তবে তো আক্রমণভাগেই বদলে যাবে বাংলাদেশ দল। উইঙে বাংলাদেশের ক্ষরা যেতে পারে মিটে। আর সেখানেই স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ফারহান আলী ওয়াহিদ।
ফুলহ্যাম ক্লাবের নাম শোনেননি খুব কম ফুটবল ভক্ত আছে। আর সেই ক্লাবের যুব দলে খেলেন ফারহান আলী ওয়াহিদ।
শুধু খেলেননা, পারফর্ম করেন নিয়মিত। গত অক্টোবর মাসে তো ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় হলেন ফারহান আলী ওয়াহিদ।
সে মাসে স্পার্সের যুব দলের বিপক্ষে ১ গোলও করেন তিনি। শুধু যে সে ম্যাচে গোল করেছেন এমন নয়, শোনা যায় সব ধরণের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০ ম্যাচে ৮ গোল তারা। টানা একাধিক মাসে মাসসেরা গোলের খেতাব পেয়েছেন ফারহান।
উইঙে খেলেন ফারহান, লেফট ও রাইট দুই উইঙে খেলতে পারেন। তার খেলার ধরণে এস্তেভাও, রদ্রিগোদের ছাপ খুজে পাবেন আপনি।
গতি, স্কিল আছে, সাথে ফিনিশিং ও দুরপাল্লার শটেও দারুণ ফারহান। এমন একজন খেলোয়াড় বদলে দিতে পারেন বাংলাদেশ দলের চিত্র
তবে প্রশ্ন হলো, ফারহান আসবেন কিনা এ দেশে? এর পিছনে দুটি কারণ থাকে। ফারহান যে মানের খেলোয়াড়, তাতে এখনও ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগের সম্ভাবনা আছে তার, মুল দলে খেলার সুযোগও থাকবে।
যদিও ইংল্যান্ডের প্রতিযোগিতা ফারহান নিবেন কিনা নিজের কাছে, সেটাও প্রশ্ন থাকবে। এছাড়া আপাতত ক্লাবের মুল দলে খেলতে চান ফারহান। কোন সন্দেহ নেই, ফুলহ্যামের মুল দলে সুযোগ পেলে অন্যদিকে প্রবাহিত হবে ফারহানের ক্যারিয়ার।
দ্বিতীয় কারণটা বাফুফের উদাসীনতা। এর আগে ট্রায়ালে আসা ফুটবলারদের অবহেলা করেছে বাফুফে।
সামিত, জায়ানদের মত ফুটবলারদের শুরুর একাদশে খেলানো হচ্ছেনা। হামজারা শট চেষ্টা করলেও ফল মিলছেনা। যা আগামী দিনে অনুৎসাহী করতে পারে ফারহানদের মত ফুটবলারদের। তবে ফুটবল ভক্তদের টানে হামজা চৌধুরির মত ফুটবলার এসেছেন, ধৈর্য্য ধরলে একদিন ফারহানরা এসে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে, এটাই চাওয়া দেশের ফুটবল সমর্থকদের।




