ড্র হলেই নিশ্চিত হতো সরাসরি বিশ্বকাপ যাত্রা। ঘরের মাঠে পর্তুগাল দল জয়ই তুলে নিলো।
সেটাও সাধারণ কোন ব্যাবধানে নয়, ৯-১ গোলের বিশাল ব্যাবধানে।
একাধিক সহজ সুযোগ মিস না হলে দুই অঙ্কের কোটাও ছুতে পারত রবার্তো মার্টিনেজের দল। আর সেখানেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয় পর্তুগালের।
কার্ড জটিলতায় ম্যাচ খেলেননি রোনালদো, তবে দলের সাথে তিনিও যে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন, এটা তো নিশ্চিত অনেকটাই।
রোনালদো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলেন গত ম্যাচে, লিওনেল মেসি নিশ্চিত করেছেন আগেই। পর্তুগাল ও আর্জেন্টিনা আগামী বিশ্বকাপ খেলবে, এটা নিশ্চিত। এর সাথে অনেকটা নিশ্চিত মেসি ও রোনালদোর বিশ্বকাপ খেলা।
এখনও খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন এই দুই তারকা। নিজেদেরকে ক্লাব ও জাতীয় দলে মেলে ধরছেন। শুধু একটাই লক্ষ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপটা নিজের করে নেওয়ার।
মেসির জন্য লক্ষ্য টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়৷ লিওনেল মেসির ক্যারিয়ার এক বিশ্বকাপে পুর্ণতা পেয়েছে, তবে তার নামটা যে মেসি। যে কারণে কোথাও পিছিয়ে থাকতে চাননা এই আর্জেন্টাইন তারকা। ২০২৬ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিততে চাইবেন, একই সাথে আর্জেন্টিনাকে জিতাতে চাইবেন বিশ্বকাপ শিরোপা। কিন্ত সেখানে এখনও কি দলের হয়ে কার্যকর মেসি?
সর্বশেষ ৮ ম্যাচে ২০ গোল গোল এসিস্ট করেছেন লিওনেল মেসি। এমএলএসে সর্বোচ্চ গোল তার মৌসুমে, মৌসুমের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এসিস্ট।
জাতীয় দলের হয়েও কম যাননা, গোল এসিস্টে এখানেও সবার সেরা মেসি। এখনও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন মেসি। এই মেসিকে নিয়ে বড় মঞ্চে তো বাজি ধরাই যায়।
বিপরীতে রোনালদোর লড়াইটা মেসির সাথে গোট ডিবেটের। যে লড়াই এক যুগ ধরে করে এসেছেন এই পর্তুগীজ তারকা, যেখানে মেসিকে টক্কর দিয়েছেন সমানে সমানে।
তবে বিশ্বকাপ জয়ে রোনালদোর চেয়ে এগিয়ে গেছেন মেসি, তাতে সন্দেহ নেই। এবার মেসিকে টক্কর দিতেই বিশ্বকাপটা ঘরে তুলতে চাইবেন রোনালদো। একইসাথে বিশ্বকাপটাই অপুর্ণতা আছে রোনালদোর ক্যারিয়ারে, নিজের লিজেন্ডারি ক্যারিয়ারে সেটাও জয় করতে চাইবেন তিনি।
রোনালদো নিজেও আছেন ফর্মে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিও। ক্লাবেও একাধিক মৌসুমে হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা।
এখনও গোল করছেন নিয়মিত।
কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, সেটা দেখা যাবে আগামী দিনে। তবে মেসি ও রোনালদো একই মঞ্চে খেলবেন, এমন দৃশ্য ২০২২ এর পর প্রতিযোগিতামুলক ম্যাচে আর দেখা মেলেনি। আর এমন দৃশ্য দেখতেই এবার মুখিয়ে আছে বিশ্বের ফুটবল ভক্তরা।




