নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছেন। একমাত্র ওপেন প্লে গোলে করেছেন এসিস্ট। কিন্ত পরের ম্যাচেই বেঞ্চে থাকতে হয় জামালকে।
সোহেল সিনিয়ার, জুনিয়াররা সুযোগ পেলেও একাদশে সুযোগ পাননা বাংলার তারকা জামাল ভুইয়া।
অথচ হামজা চৌধুরি আসার আগে জামালই ছিলেন বাংলার ফুটবলের ব্রান্ড। এছাড়া প্রবাসীদের দেশে আসার শুরুটাও করেন জামাল। এই জামালকেই অবহেলা বাংলাদেশের কোচের।
অবশ্য কাবরেরার অবহেলা পেলেও এক বড় তারকার থেকে উপহার পেয়েছেন জামাল ভুইয়া। সেই তারকা আর কেউ নন, নেইমার জুনিয়র।
পাচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা, এই যুগের শত তরুণের আইডল, এখনও ব্রাজিলের সেরা তারকা নেইমার।
নেইমারের পরিচয় দেওয়ার কিছু নেই ফুটবল মহলে, তবুও তিনিও কত বড় তারকা সেটাই যেন মনে করিয়ে দেওয়া।
সেই নেইমারের থেকেই উপহার পেলেন জামাল ভুইয়া। সেটা নেইমারের নিজের স্বাক্ষর করা জার্সি।
এই জার্সি জামাল নেইমারের দেশে গিয়ে, উপহার পান নিজের দেশে বসেই। বাংলাদেশের অধিনায়ককে নিজের স্বাক্ষর করা জার্সি দেন নেইমার, যে জার্সি জামালের হাতে পৌছে দেয় বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদুত। যদিও কেন দেওয়া হয়েছে এই জার্সি তার কারণ জানা যায়নি।
তবে ধারণা করা হচ্ছে নেইমারের ব্যাক্তিগত সহকারী রবিন মিয়ার কারণে হতে পারে এমনটা৷ কেননা রবিনা মিয়া যে বাংলাদেশী, আর বাংলাদেশ ফুটবলেও রাখেন খোজ খবর। তবে কারণ যাই হোক, জামালের জন্য এটা বড় সম্মানের বটেই।
এই প্রথম বড় তারকার থেকে জার্সি পেয়েছেন জামাল, এমনটা মোটেও নয়। কিছুদিন আগেই জামালকে জার্সি দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক করেন ঢাকা সফর, সেখানে জামাল সহ জাতীয় দলের কারো সাথে সাক্ষাৎ না হওয়াটা আসে আলোচনায়। সেটা নজর এড়ায়নি এমির। এরপর নিজ উদ্যেগে নিজের জার্সি স্বাক্ষর করে পাঠান জামালকে। এবার এমির পর নেইমির জার্সি পেলেন জামাল।
বাংলাদেশের ফুটবলের বড় কিংবদন্তি জামাল। দেশের ফুটবলের জন্য জামাল যা করেছেন, তার বিনিময়ে বড় কিছু অর্জন করতে না পারলেও পেয়েছেন সম্মান।
সেই সম্মানটা জামালের আরো বেড়ে যায়, যখন এমি, নেইমির মত তারকারা তাকে জার্সি পাঠান। বিশ্ব ফুটবলে বাংলাদেশের অবস্থান খড়কুটোর মতই, তবে সেই খড়কুটো থেকেই বড় বড় তারকারা জামালকে খুজে বের করে পাঠান উপহার। এই প্রাপ্তি তাই জামালের নয়, পুরো বাংলাদেশের।




