জাতীয় দলের হয়ে ফিফা উইন্ডোতে ছিলেন না, তাকে বিশ্রামে রাখেন স্কালোনি। সেই বিশ্রাম থেকে ফিরে এসেই আবারো দুর্দান্ত এঞ্জো ফার্নান্দেজ। প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে বার্নলিকে ২-০ গোলে হারায় চেলসি। আর সেখানেই ব্লুজদের হয়ে স্কোরশিটে নাম এঞ্জোর। ডানদিক থেকে আসা পাসে ডিবক্সে দারুণ রান নিয়ে বল জালে জড়ান, দলের বাড়ান লিড। আর তাতেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্লুজরা।
শুধু এই ম্যাচে গোল পেয়েছেন এঞ্জো, এমন নয়। বরং ২০২৫ সালটা এঞ্জো ও চেলসি যেন একে অন্যের পরিপুরক। এই বছরে চেলসির হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এঞ্জো ফার্নান্দেজ। শুধু গোলের নয়, সর্বোচ্চ গোল এসিস্টের মালিকও এঞ্জো। এমনকি সর্বোচ্চ এসিস্টও এঞ্জোর।।এমন কীর্তি করা এঞ্জো একজন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারই শুধু।
এই মৌসুমে লীগে ১১ ম্যাচে ৪ গোল ও ১ এসিস্ট এঞ্জোর। চ্যাম্পিয়নস লীগে ৪ ম্যাচে করেছেন ১ গোল।
ক্লাব বিশ্বকাপের মঞ্চে ৭ ম্যাচে ৩ গোল ও ১ এসিস্ট। গত মৌসুমে লীগে করেন ৬ গোল ও ৭ এসিস্ট। যার অধিকাংশ এসেছে এই ২০২৫ সালে।
আর তাতেই রেকর্ডের পাতায় এঞ্জো। ২০২৫ সালে এঞ্জো করেন ১০ গোল ও ১১ এসিস্ট। সব মিলিয়ে গোল এসিস্ট ২১ টি।
তার ১০ গোলের চেয়ে বেশি গোল করেননি কেউ চেলসির হয়ে এই বছরে। ১১ এসিস্টে চেলসির সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন এঞ্জো, আর গোল এসিস্টে এমনিতেই চুড়ায় এই আর্জেন্টাইন।
অথচ চেলসি দল যে খারাপ অবস্থানে আছে এমন নয়। গত ক্লাব বিশ্বকাপ জয় করে দলটি, প্রিমিয়ার লীগেও আছে আর্সেনালের পর দুই নাম্বার অবস্থানে।
চ্যাম্পিয়নস লীগে ৪ ম্যাচে ২ জয় ও ১ ড্র। দলেও আছেন অনেক তারকা ফুটবলার। পালমার, নেতো, এস্তেভাও, পেদ্রো, লিয়াম দিলাপের মত এটাকিংভাগে ফুটবলার আছেন। এরপরও সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন এঞ্জো। চেলসিকে দিচ্ছেন সামনে থেকে নেতৃত্ব।
আগের ম্যাচে বিশ্রাম পেলেও বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বড় অস্ত্র এই এঞ্জো ফার্নান্দেজ। গত বিশ্বকাপে সেরা তরুণ খেলোয়াড় হয়েছেন।
এবার এঞ্জো আরো ধারালো ও পরিপক্ব। শুধু দরকার সময়ের সাথে সাথে আবারো এই পারফর্মেঞ্চ ধরে রাখা। মাঝমাঠে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী আর্জেন্টিনা, আর সেই শক্তির উৎস এই এঞ্জোরাও।আগামী দিনেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক এই আর্জেন্টাইন, এটাই চাওয়া সবার।




