মুখোমুখি লড়াইয়ে দল ছিল পিছিয়ে। শেষ পাচ ম্যাচে স্পোর্ট রেসিফির বিপক্ষে এক ম্যাচও জিতেনি সান্তোস, উলটো হেরেছে এক ম্যাচ।
কিন্ত রেলিগেশন থেকে বাচতে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না সান্তোসের। আর সেখানেই ত্রাতা হয়ে এলেন নেইমার জুনিয়র।
অর্ধফিট থেকে খেলেছেন পুরো সময়, একবার গোল করেছেন, করেছেন এক এসিস্ট।
আর তাতেই ৩-০ গোলের জয়ে আপাতত রেলিগেশন জোনের বাইরে নেইমার।
তবে এখানেই শেষ নয়, সামনে আরো দুই ম্যাচে দায়িত্ব নেইমারের কাছে। সেখানে আগামী ম্যাচে নেইমারের সান্তোস মাঠে নামবে জুভেন্তাদুর বিপক্ষে।
যে ম্যাচে নেইমির দিকে চেয়ে থাকবে দল, যে ম্যাচে জয় পেলে রেলিগেশন থেকে অনেকটা মুক্ত পাবে সান্তোস।
বর্তমানে টেবিলে ১৯ নাম্বারে আছে জুভেন্তুদে।
হেড টু হেডেও সান্তোসের থেকে পিছিয়ে আছে তারা। সর্বশেষ দুই লড়াইয়েও তারা হেরেছে সান্তোস বাহিনীর সাথে।
নিজের খেলা সর্বশেষ ম্যাচে তাদের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন নেইমার জুনিয়র। এছাড়া আগের ম্যাচে ৩-০ গোলের জয় সান্তোসকে প্রেরণা দিবে। সব মিলিয়ে এই ম্যাচে ফেভারিট থাকবে সাদা শিবিররা।
তবে ব্রাজিল লীগে কোন ম্যাচই সহজ নয়। শেষ ৫ ম্যাচে যেখানে এক হার জুভেন্তুদের। যেখানে তারা আটকে দিয়েছে বাহিয়া, ভাস্কো দ্যা গামা, ক্রুজেও এর মত দলকে। আর সেখানে সান্তোস যদি সতর্ক না থাকে তবে ফলাফল যেতে পারে তাদের বিপক্ষেও।
সব মিলিয়ে সতর্ক থাকতে হবে নেইমারের দলকে।
ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ নেইমারের জন্য। ইঞ্জুরির জন্য নেইমারের মৌসুম শেষ এমন গুঞ্জন উঠেছিল।
তবে অর্ধফিট হয়ে খেলছেন নেইমার, পারফর্ম করছেন। কারণটা বিশ্বকাপে চোখ তার।
এই সময়ে যদি সিরিআ না খেলতে পারেন, আগামী মার্চ বা এপ্রিলের আগে নেই নেইমারের খেলা।
তাতে মার্চের কলাপে ডাক পাওয়া কঠিন হতো তার। এর বাইরে এখনও নিজের শেপ প্রমাণ করতে না পারলে ইউরোপের ক্লাবেও আসবেনা ডাক। সব মিলিয়ে ঝুকি নিয়েও নিজেকে প্রমাণে খেলছেন নেইমার।
যে প্রমাণটা গত ম্যাচে করেছেন তিনি। আরো একবার সেই কাজটা তাকে করতে হবে ৪ ডিসেম্বর। যদি গোল এসিস্টের ধারা বজায় রাখতে পারেন, তবে সহজে জুভেন্তুদকে হারাতে পারবে সান্তোস। আর সান্তোসকে সিরিআতে ধরে রাখতে পারলে নিসন্দেহে এই মৌসুমে সেটাই হবে নেইমারের অর্জন। এবার দেখা যাক, অর্ধফিট হয়েও সেই কাজটা করতে পারেন কিনা নেইমার।




