ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল গঠনে নিজের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করলেন কার্লো আনচেলত্তি।
জানিয়ে দিলেন, তার চূড়ান্ত স্কোয়াডে নাম লেখাতে হলে শতভাগ ফিট থাকা বাধ্যতামূলক। এই নিয়মে কোনো তারকার জন্য ছাড় নেই,নেইমার হোক বা ভিনিসিউস, ফিটনেসেই হবে নির্বাচনের মাপকাঠি।
ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার প্রায় দুই বছর ধরে জাতীয় দলের বাইরে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ খেলেছিলেন তিনি।
নিয়মিত চোটে ভুগতে থাকা এই ফরোয়ার্ডকে নিয়ে প্রশ্ন তুললে আনচেলত্তি এস্পোর্তে রেকর্ডকে বলেন
“তার শতভাগ ফিট থাকা জরুরি। অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। আমাকে তাদেরই বেছে নিতে হবে যারা পুরোপুরি প্রস্তুত।
শুধু নেইমার নয়, এটা ভিনিসিউসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যদি ভিনিসিয়ুস ৯০ শতাংশ ফিট থাকে, আর অন্য কেউ ১০০ ভাগ থাকে, আমি ১০০ ভাগ ফিট খেলোয়াড়কেই নেব। কারণ দলটির মান খুবই উচ্চ, বিশেষ করে আক্রমণভাগে।”
৩৩ বছর বয়সী নেইমারের বাঁ হাঁটুর মেনিসকাস সমস্যা নতুন করে তাকে ভোগাচ্ছে। বছরের শেষেই তার আর্থ্রোস্কোপিক অস্ত্রোপচার লাগতে পারে।
এর আগেও একই হাঁটুর এসিএল ও মেনিসকাস ছিঁড়ে যাওয়ায় সার্জারি করাতে হয়েছিল। এই পর্বে নেইমারের প্রতি আনচেলত্তির অনুভূতিটাও স্পষ্ট তিনি বলেন, “আমি মনে করি সে অসাধারণ প্রতিভা।
দুর্ভাগ্য হলো চোট তাকে বারবার পিছিয়ে দিয়েছে। চোট-আঘাতের কারণে সে শারীরিকভাবে কখনোই পুরোপুরি ভালো অবস্থায় থাকতে পারেনি।”
এদিকে চোটের মাঝেও মাঠে নেমে সান্তোসকে রেলিগেশন জোন থেকে তুলেছেন নেইমার। স্পোর্ট রেসিফের বিপক্ষে গোল করে ৩-০ ব্যবধানে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। লিগে তাদের সামনে আছে আরও দুইটি ম্যাচ।
ম্যাচশেষে নেইমার নিজের পরিস্থিতি নিয়ে জানান, “আমি ধীরে ধীরে আরও ভালো অনুভব করছি।
এই চোটটা দুঃখজনক, বিরক্তিকর। কিন্তু এমন কিছু নয় যা আমাকে থামিয়ে দেবে। তাই আমি খেলছি। এখন সান্তোসকে নিয়ে ভাবার সময়-দলকে প্রথম বিভাগে টিকিয়ে রাখাই লক্ষ্য। এরপর দেখা যাবে কী করি।”
তবে আনচেলত্তির বার্তা পরিষ্কার,শুধু প্রতিভা নয়, নিজের শরীর নিয়ে শতভাগ প্রস্তুত না হলে কারও জন্যই বিশ্বকাপের দরজা খোলা নয়।




