ব্রাজিল দলের দায়িত্ব নিয়েছেন ৬ মাসের মত।এই সময়ে দলের হয়ে যেমন সফলতা পেয়েছেন, ব্যার্থতার মুখও দেখেছেন।
সে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা আছে বিস্তর। তবে এর চেয়েও যেন ব্রাজিল কোচ কার্লোকে শুনতে হয়েছে একটি প্রশ্ন, নেইমার ফিরবেন কবে।
ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার ব্রাজিলে নেই ২ বছরের অধিক সময়। এর মাঝে একাধিক নয়া কোচ এলেও আসেননি নেইমার।
তবে এর আগে ব্রাজিলের দায়িত্বে থাকা ডরিভাল জুনিয়ারকে এ নিয়ে তেমন প্রশ্ন শুনতে হয়নি। কেননা তখন ইঞ্জুরিতেই বেশিরভাগ সময় কেটেছে নেইমারের।
তবে কার্লোর অধীনে অনেকটাই ইঞ্জুরিমুক্ত ছিলেন নেইমার। যদিও নেইমারের ডাক পাওয়ার শর্ত আগেই কয়েকবার দিয়েছেন কার্লো।
বারবার নেইমারের ফিটনেসের কথা বলেছেন। ১০০ ভাগ ফিট স্কোয়াড নিয়েই তিনি বিশ্বকাপে যেতে চান এমনটাই বলেন।
এর বাইরে নেইমারকে নতুন পজিশনে খেলার পরামর্শ দেন কার্লো। সেই পরামর্শ মেনে হ্যাট্রিক সহ টানা ৩ ম্যাচে গোল করেন নেইমার।
ব্রাজিলের যে নাম্বার নাইনের অভাব, সেখানেই এখন নেইমারকে স্পষ্টভাবে দেখছেন অনেকে।
অপরদিকে কার্লোর কথারও বাস্তবায়ন করছেন নেইমার। এবার কি তবে ফিরবেন নেইমার।
এই বিষয়টা বর্তমানে সময়ের উপরই ছেড়ে দিলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো।
এখনই এ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত নয়, এমনটা জানান তিনি। বরং সেই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপের আগেই নিতে চান কার্লো।
আগামী জুনে মাঠে গড়াবে আগামী বিশ্বকাপ। মে মাসে দল ঘোষণা করতে পারেন ব্রাজিল কোচ কার্লো।
সবাইকে সে পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরার কথা বলেন তিনি। যদি আগামী মে মাসে নেইমার ফিট থাকে, বিশ্বকাপে যাওয়ার মত সামর্থ্য থাকে তার তবে সে বিশ্বকাপ খেলবে এমনটাই মত তার। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে কার্লো বলেন
“ আমরা এখন ডিসেম্বরে আছি। বিশ্বকাপ হবে আগামী জুন মাসে।
যখন আমি মে মাসে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করি, নেইমার যদি যোগ্য থাকে তবে সে বিশ্বকাপে যাবে। সে যদি ভালো থাকে, বর্তমানের চেয়ে উন্নতি করে ও দলের অন্যদের মত যোগ্য থাকে, তবে সে বিশ্বকাপে খেলবে। এটাই শেষ”
সব মিলিয়ে নেইমারের বিশ্বকাপে যাওয়া নিয়ে ধোয়াশা কাটেনি। তবে এই ধোয়াশা কাটানোর দায়িত্ব নেইমারের।
শেষ কয়েক ম্যাচে যেভাবে পারফর্ম করছেন, এবার সেটাই ধরে রাখার পালা শুধু। সমর্থকদের চাওয়া একটাই, নেইমারের হাতে ২০২৬ বিশ্বকাপ শিরোপা।




