বিশ্বকাপের মঞ্চেই ঘটল অদ্ভত ঘটনা। আর্জেন্টিনা এবার হজম করে সেভেন আপ বা ৭ গোল। ব্রাজিলের সমান ৭-১ হয় তাদের স্কোরলাইন।
আবার ম্যাচটাও বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ, যেটায় হেরে বিশ্বকাপ ভঙ্গ হয় আলভিসেলেস্তাদের। এমন ঘটনা ঘটে ইউরোপের দলের বিপক্ষে।আবার অন্য সেমিফাইনালে রয়েছে রাইভাল দল, তাদের প্রতিপক্ষও ইউরোপিয়ান দল। নিজেদের একমাত্র গোলটাও আসে সবার শেষে।
এ যেন পুরোনো দৃশ্যের পুরোপুরি পুর্ণমিলন হলো আবার।
৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ঘায়েল করতে আর্জেন্টিনা দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র যেন সেভেন আপ।
নিজেদের অর্জনের চেয়ে ব্রাজিলের এই সাত গোল হজমকেই যেন বেশি বেশি প্রকাশ করে আর্জেন্টাইন ভক্তরা।
বিশ্বকাপে করা জার্মানির অর্জনকেই তারা বানিয়ে ফেলেছে নিজেদের অর্জনে। তবে এবার যেন নিজেদের ঔষধের স্বাদ নিজেরাই পেলো আর্জেন্টিনা দল।
তবে ফুটবল বিশ্বকাপে নয়, ঘটনাটা ঘটেছে ফুটসলে। নারীদের বিশ্বকাপ ফুটসলের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল ফুটসল দল।
আর সেখানেই আর্জেন্টিনা হজম করে সাত সাত গোল। এদিন শুরুতেই পর্তুগাল দল চাপ প্রয়োগ করে আর্জেন্টিনা নারী ফুটবল দলের উপর।
খেলা শুরুর মিনিটের আগেই প্রথম গোল হজম করে আর্জেন্টিনা দল। ৫৭ সেকেন্ডে লিডিও মোরেইয়া গোল করে দলের লিড এনে দেন। এরপর ৮ মিনিটে এই তারকা আবারো গোল করেন দলের হয়ে, করেন দলের তৃতীয় গোল।
৬ মিনিটে পর্তুগালের হয়ে গোল করেন দলের আরেক তারকা পিভট ফিফো। ৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই পর্তুগিজ তারকা৷
পরবর্তীতে আরো দুই এসিস্ট করে আর্জেন্টিনার ত্রাস বনে যান তিনি
৯ মিনিটে জেনিস সিলভা গোল করেন পর্তুগালের হয়ে। ১৫ মিনিটে গোল করেন এনা এজেভেডো।
পর্তুগালের সর্বশেষ গোল আসে ২০ মিনিটে, গোল করেন ইনেস মাতোস। ৬ থেকে ২০ মিনিট, এই ১৪ মিনিটে পর্তুগাল হজম করে মোট ৬ গোল।
আর্জেন্টিনার হয়ে সান্তনাসুচক গোলটা করেন মাইলেন রোমেরো। ৩৮ মিনিটে তার করা গোলটা যেন ব্রাজিলের সেই অস্কারের গোলটাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। আর সেখানে এবার সেমিফাইনালে লজ্জা স্বাক্ষী হয় আর্জেন্টিনার জন্য।
অপরদিকে আর্জেন্টিনাকে সাত গোল দিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌছে গেছে পর্তুগালের নারীরা।
ফাইনালে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ব্রাজিল বা স্পেন দল। অবশ্য এমন কাকতালীয় ব্যাপার চলতে থাকলে ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা পাবে পর্তুগাল।
তবে সেটা যাই হোক না কেন, এবার যেন আর্জেন্টিনাই হজম করলো নিজস্ব সেভেন আপ। নিসন্দেহে তাদের ফুটসলের জন্য এটা লজ্জার দিনই হয়ে থাকবে।




