ম্যাচ খেলা যেন সোনার হরিণের মত হয়ে যাচ্ছে এন্ড্রিকের জন্য। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এই মৌসুমে ম্যাচ খেলেছেন সর্বসাকুল্যে ১ টি।
৮০ মিনিটের পর নেমেছিলেন, নেমে অবশ্য কাজের কাজ করতে পারেননি। এখন পর্যন্ত মৌসুমে একবারও থাকতে পারেননি শুরুর একাদশে।
তবে তার আগেই যেন বাগিয়ে নিয়েছেন একটি লাল কার্ড। দিনের পর দিন সুযোগ না পেয়ে বেঞ্চেই কাটে এন্ড্রিকের দিন।
লা লীগার পরবর্তী ম্যাচে বেঞ্চেও জায়গা হবেনা ১৮ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারের।
সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদ হারে ২-০ গোলে। ম্যাচের আগে টেবিলে নিচের ১০ এ অবস্থান ছিল সেল্টা।
লা লীগায় রেলিগেশনের পথেই থাকে দলটি। সেই দলটার কাছে রিয়াল মাদ্রিদ হেরেছে, কোন গোল না দিয়ে বার্নাব্যুতে হেরেছে ২-০ গোলে।
তবে মরার উপর ক্ষরার ঘা হয়ে আসে লাল কার্ড। দল হারার সাথে সাথে রিয়াল মাদ্রিদের কপালে জোটে একের পর এক লাল কার্ডও।
মাঠে ফ্রান গার্সিয়া লাল কার্ড হজম করেন মাঠ ছাড়েন ৬৩ মিনিটে। রেফারির সাথে তর্ক করে ডাবল হলুদ কার্ডে মাঠ ছাড়েন তিনি।
আরেক লেফট ব্যাক আলভারো কারেয়াসও রেফারির সাথে তর্কে লাল কার্ড হজম করে মাঠ ছাড়েন।
তবে এতেই যেন শান্ত হননি রেফারি, বেঞ্চের দিকে ছুটে গিয়ে একজনকে দেখান লাল কার্ড।
সেখানে তিনি বলেন বেঞ্চ থেকে একজন নাকি বলেছে কটু বাক্য। পরবর্তীতে তার দায়ে অভ্যস্ত করা হয় এন্ড্রিককে।
তার কপালে জোটে লাল কার্ড।
রিয়াল মাদ্রিদে আসার আগে তাকে বলা হচ্ছিল যে ব্রাজিলের আগামী দিনের পেলে। অথচ মাদ্রিদে বেঞ্চেই থাকছেন এন্ড্রিক।
এরকম বছরের পর বছর মাদ্রিদের বেঞ্চে থেকেছেন মারিয়ানো দিয়াজ। মাদ্রিদের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে স্ট্রাইকারের হিসেবে উল্লেখ করা যায় তাকে। ধীরে ধীরে কি সেই মারিয়ানো দিয়াজই হচ্ছেন এন্ড্রিক?
শোনা যাচ্ছে জানুয়ারিতে লোনে ক্লাব ছাড়বেন এন্ড্রিক। অলিম্পিক লিও এন্ড্রিকের জন্য দরজা উন্মুক্ত করেছে, দিয়েছে নিয়মিত খেলারও প্রতিশ্রুতি।
বর্তমানে সেই প্রস্তাব লুফে নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই এন্ড্রিকের। অন্তত আগামী দিনে যদি নিজের ক্যারিয়ার বাচাতে চান, এন্ড্রিকের সামনে একটি দরজাই খোলা।




