দলের হয়ে খেলেন ৮ ম্যাচ। এর মাঝে যে সব ম্যাচেই ব্রাজিল দাপট দেখিয়েছে, এমনটা মোটেও নয়।
৮ ম্যাচে উল্টো ব্রাজিল হেরেছে একাধিক ম্যাচে। এর বাইরে দল ড্র করে একাধিক ম্যাচে। তবে ব্রাজিলের মাঝে এসেছে পরিবর্তন।
কার্লোর অধীনে থাকা ব্রাজিলের খেলার ধরণেও এসেছে বদল, এর মাঝে অনেকে কার্লোকে নিয়ে দেখছে আশা।
সেই তালিকায় আছে স্বয়ং ব্রাজিল বোর্ডও। যে কারণে তারা কার্লোকে নিয়ে করছে অতিরিক্ত ৪ বছরের চুক্তি। যেখানে এই বিশ্বকাপে তো বটেই, আগামী বিশ্বকাপেও কার্লোকে নিয়ে যেতে চায় তারা।
যে কারণে কার্লোকে তারা দিয়েছে নতুন করে ৪ বছরের চুক্তির প্রস্তাব। সেই চুক্তি অনুযায়ী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সেলেসাও দল সামলাবেন কার্লো।
ডায়েরি এএসের বরাদ দিয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করে টিম এস্পানা, ট্রিবুনা সহ একাধিক গণমাধ্যম।
সেখানে তারা জানায় সর্বোচ্চ বেতন দিয়ে কার্লোকে ধরে রাখতে চায় ব্রাজিল। বর্তমানে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি আছে কার্লোর। তবে দেড় বছরের চুক্তিকে বাড়াতে চায় তারা। এজন্য ১০ মিলিয়ন অর্থ খরচ করলেও কার্লোকে পরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত রাখতে চায় ব্রাজিল।
দুটি বড় কারণে সেলেসাওরা এখনই কার্লোকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ধরে রাখতে চেয়েছে।
২৪ বছর ধরে শিরোপা নেই ব্রাজিল দলে, যেই শিরোপার খোজে কার্লো এসেছেন ব্রাজিলের ডেরায়। তবে বৈশ্বিক ফুটবলে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, রাতারাতি এসে বদলে দেওয়া সম্ভব নয় যেকোন দলকে, তাই এবারের বিশ্বকাপে চাপ না দিয়ে আগামী বিশ্বকাপের জন্য একসাথে প্রস্তত করতে চান দলকে।
অপরদিকে এই মুহুর্তে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে আছেন জাভি আলান্সো। তবে এই মুহুর্তে ছন্দে নেই রিয়াল মাদ্রিদ।
যেকোন সময় বরখাস্ত হতে পারেন আলান্সো। আগামী দিনের জন্য আবারো আনচেলত্তির দিকে ফিরতে পারে মাদ্রিদ। যদি এখন নাও পারে, তবে এই মৌসুমের পর কার্লোকে আবারো ফিরিয়ে আনার খবরও শোনা গিয়েছে। আর সেখানেই ঝুকি নিতে চায়না ব্রাজিল দল। যে কারণে এর মাঝেই কার্লোর টেবিলে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির প্রস্তাব ব্রাজিলের।
সব কিছু ঠিক থাকলে ২০৩০ পর্যন্ত ব্রাজিলের সাথে চুক্তি থাকবে আনচেলত্তির। আগামী দিনেও এই বর্ষীয়ানের উপরই ভরসা রাখতে চাইবে সেলেসাওরা। এবার দেখা যাক, এই ভরসার প্রতিদান ভালোভাবে দিতে পারেন কিনা ডন কার্লো।




