চ্যাম্পিয়নস লীগে চেলসির বিপক্ষে বদলি নেমে এই আসরে হয় প্রত্যাবর্তন। তখন লীগে ২ নাম্বারে বার্সেলোনা।
চ্যাম্পিয়নস লীগে জয়হীন টানা ৩ ম্যাচ, যার মাঝে হার ২ ম্যাচেই। ৫ ম্যাচ পর হার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে।
সব মিলিয়ে টালমাটাল অবস্থা তখন বার্সেলোনা শিবিরে।
ফিরে এসে ৪ ম্যাচ খেলেছেন রাফিনহা, যার সবগুলো ম্যাচে জয় পায় বার্সেলোনা। লীগেও রিয়াল মাদ্রিদকে টপকে উঠে আসে তালিকায় সবার শীর্ষে।
চ্যাম্পিয়নস লীগেও সর্বশেষ ম্যাচে পায় জয়। এই সময় ৪ ম্যাচে ৪ গোল এসিস্টও করেন রাফিনহা।
অর্থ্যাৎ এক রাফিনহা আসায় যে বদলে গেছে বার্সেলোনা দল, এই ব্যাপারে কারো নেই সন্দেহ।
কিন্ত দলকে একা হাতে বদলে দিলেও প্রাপ্ত সম্মান কি পান রাফিনহা। গত আসরে সবার চেয়ে বেশি গোল এসিস্ট করেছেন, লা লীগা ও কোপা দেল রে শিরোপা জিতেছেন। তবে এরপরও ব্যালন ডি অরে থেকেছেন ৫ নাম্বারে।
এরপর ফিফপ্রো এর একাদশেও জায়গা মেলেনি এই ব্রাজিলিয়ানের। গত মৌসুমে রাফিনহার প্রতি অবহেলার চিত্র যেন দেখা গেছে এই মৌসুমে। সর্বশেষ ম্যাচেও অবহেলার স্বীকার হন এই ব্রাজিলিয়ান।
লা লীগার সর্বশেষ ম্যাচে ওসাসুনার বিপক্ষে জয় বার্সেলোনা। ২-০ গোলে জয়ের ম্যাচে ২ গোলই আসে রাফার জাদুকরী পায়ে।
যার মাঝে শুরুর গোলটা করেন ডিবক্সের ঠিক সামনে থেকে।বাম পায়ের পাওয়ারফুল এক শটে। যাতে ৭০ মিনিটের ডেডলক ভাঙে বার্সেলোনার।
এরপর ৮৬ মিনিটে কুন্ডের ক্রস থেকে পাওয়া ডিফ্লেক্ট বলে গোল করেন রাফিনহা।
৮৮ মিনিট খেলে ২ গোল রাফার। সাথে ৩৫ সফল পাস, ৭ বার শট, ১ বার সফল ক্রস, ২ বার সফল লং বল, ১ বার ক্লিয়ারেন্স ও ৩ বার রিকভারি করেন। এত দারুণ পারফর্ম করেও ম্যাচসেরার পুরষ্কার আসেনি রাফিনহার কাছে।
এই ম্যাচে ম্যাচসেরা হন লামিন ইয়ামাল, যিনি ম্যাচে কোন গোল এসিস্টই করেননি৷ ম্যাচে সর্বোচ্চ ড্রিবল তার।
কিন্ত ক্রস, লং বল, ফাইনাল থার্ডে পাস, ট্যাকেলস, রিকভারিস, শটস কোথাও এগিয়ে নেই রাফিনহা থেকে।
তবে এরপরও ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ যে ইয়ামালের কাছে, রাফিনহা থেকে যান আড়ালের নায়ক।
গত মৌসুমে ভালো করেও অবহেলিত থেকেছেন। ধারণা করা হচ্ছিল এই মৌসুমে তার ইঞ্জুরিতে বার্সেলোনার পারফর্মেঞ্চের অবনতির পর চোখ খুলবে সবার।
তাকে সহ ও তাকে নিয়ে দলের পরিণত চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন রাফা। তবুও এমন অবহেলা এই ব্রাজিলিয়ানের জন্য, হতভাগ্যই বলতে হয় তাকে।




