বয়সটা ২১ বছর, তবে এর মাঝেই নিজের অনেক উত্থান পতন দেখেছেন স্যাভিও। জিরোনার স্যাভিও সবার নজর কেড়েছেন, ব্রাজিল দলে ডাক পেয়ে গোলও করেছেন।
তবে এরপর ম্যানচেস্টার সিটিতে এসে দেখা যায়নি তার আগের ঝলক। পেপ গার্দিওলার সিস্টেমের বলি হতে হয় উইঙ্গারদের, ওয়াইড অঞ্চলে তারা নিয়মিত গোল পাননা, থাকতে হয় ওয়ার্করেট।
এর বাইরে প্রিমিয়ার লীগে খেলার প্রেশার। ফুটবল অঙ্গন এত সহজ না সেটা বোধহয় বুঝতে সময় নেননি স্যাভিও। আর যে কারণে নিজের শখকে এবার বলিদান স্যাভিও।
ছোটবেলা থেকেই ঘোড়ায় চড়ায় শখ স্যাভিও এর। তার জীবনে বেড়ে উঠায় বড় অংশ ছিল ঘোড়ায় চড়া। যখনই বের হতেন বা অবসর সময়ে যেতেন, ঘোড়ায় চড়া উপভোগ করতেন স্যাভিও৷ এমনকি এই অভ্যাসটা ভালোও বাসতেন স্যাভিও, এমনটাই জানান তিনি।
কিন্ত বর্তমানে এখন আর ঘোড়ায় চড়েননা স্যাভিও। না ঘোড়ায় চড়ার ভালোবাসা তার ফুরিয়ে যায়নি। কিন্ত এর চেয়েও স্যাভিও অধিক ভালোবেসেছেন ফুটবলকে।
যে কারণেই এই দীর্ঘদিনের শখ ও ভালোবাসাকে একপেশে করতে ভাবেননি এই ফুটবলার। ঘোড়ায় চড়লে একদিকে দীর্ঘদিন পিঠে ব্যাথা থাকতে পারে, যা ব্যাক ইঞ্জুরির কারণ হতে পারে।
এছাড়া ঘোড়া চড়া বিপদজনকও কিছুটা, সেটা যত অভিজ্ঞ রাইডার হোক। তাই দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও থাকবে তার। এমন কিছুর জন্য বর্তমানে ঘোড়ায় চড়া এরিয়ে চলেন স্যাভিও।
সাম্প্রতিক সময়ে দ্যা সানস মার্টিন ব্লাকবোর্নে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানান স্যাভিও। সে সাক্ষাৎকারে নিজের শখ, ফুটবলে ফোকাস ও বর্তমানে ঘোড়া চড়া থেকে দূরে থাকার গল্প বলেন।
এ নিয়ে স্যাভিও বলেন “ আমি বর্তমানে খুব বেশি ঘোড়ায় চড়ি, যদি কোন কারণে কিছু ঘটে যায়। তবে পুর্ব অতীতে আমি এটাকে খুব ভালোবাসতাম।
আমি যখনই বের হতাম, আমি আমি এটা করতে পছন্দ করতাম। এখানে আমি ফুটবলে বেশি মনযোগ দিতে চাই, এটার জন্য সব করতে চাই।
তবে আমার জীবনে ঘোড়ারা বেড়ে উঠতে বড় অংশ হিসেবে থাকবে’
লাতিন ফুটবলে অনেকে প্রতিভা নিয়ে আসলেও অনিয়ন্ত্রিত জীবনে হারিয়ে গেছে। আর সেখানেই অন্তত এই জায়গায় অনেক তরুণের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে স্যাভিও।
স্যাভিও এর আত্মত্যাগ তার উপকারে আসুক, এমন প্রত্যাশাই করবে তার ও ব্রাজিল ভক্তরা।




