বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ভালো খেলেছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে একাধিক আসরের ছিলেন সেরা পারফর্মার।
আর তাতেই নজর কাড়েন পেপ জোসেফ গার্দিওলার, যিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচ। লিওনেল মেসিকে নিজ হাতে গড়েছেন গার্দিওলা।
তার পথ ধরেই আরেক আর্জেন্টাইন তরুণের দিকেও নজর দেন তিনি। অন্য ক্লাবের আগ্রহ থাকলেও নিজের ডেরায় নিয়ে আসেন এচভেরিকে।
এরপর তাকে নিয়ে ভুয়সী মন্তব্য করেন গার্দিওলা। তাকে ডান পায়ের মেসি হিসেবে অবিহিত করেন। এমনকি তার স্কিলের করেন প্রশংসা।
সে পরিষ্কার মনের একজন বড় ট্যালেন্ট এবং অল্প স্পেসে তার ভালো খেলার দক্ষতার কথাও জানান তিনি৷ তাকে স্পেশাল ট্যালেন্ট হিসেবেও বিবেচনা করেন।
শুধু মুখে নন, কাজেও এর প্রতিফলন বারবার দেখিয়েছেন পেপ গার্দিওলা।
রিভার প্লেট থেকে ইচভেরিকে এনে ম্যানচেস্টার সিটিতে সুযোগ দেন। এফএ কাপের ম্যাচে তাকে প্লেয়িং টাইম দেন, সে ম্যাচে প্রায় গোল পেয়েই বসেছিলেন ইচভেরি।
গোলরক্ষকের দারুণ সেভে সেদিন গোল না পেলেও সময় লাগেনি তার গোল করতে। ক্লাব বিশ্বকাপেই তুলে নেন ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রথম গোল।
এরপর অবশ্য তার গেমটাইমের কথা ভাবেন পেপ। বিশ্বকাপের আগে তাকে পুর্ণ গঠিত হতে লোনে পাঠান বায়ার লেভারকুসেনে।
কিন্ত সেখানেও সময় পাচ্ছিলেন না ইচভেরি। ফলে ৬ মাসের মাঝেই তাকে নিয়ে আসেন আবার। এবার লোনে পাঠান নিজের সিস্টার ক্লাব জিরোনাতে।
এর আগে স্যাভিও সহ অনেককে জিরোনায় লোনে পাঠিয়ে পুর্ণ বিকাশিত করেছেন পেপ গার্দিওলা।
এবার আর্জেন্টিনার ইচভেরির প্রতিও সেই খেয়াল রাখছেন পেপ গার্দিওলা।
বিশ্বকাপের ৬ মাস বাকি নেই। এর আগে আর্জেন্টিনা দলে খেলেছেন ইচভেরি। যদিও বর্তমানে ডাক পাওয়া কঠিন হবে তার জন্য।
পাজ ভালো করছেন, সৌলে করছেন দুর্দান্ত। মাস্তানতুনহো বা বুনায়ত্তের মত খেলোয়াড়রা আছেন। তবে নিজেকে মেলে ধরতে পারলে যেকোন জায়গা থেকেই যে মিলতে পারে সুযোগ, অন্তত স্কালোনির দলে যে খোলা থাকবে দরজা, সেটা ইচভেরি জানেন। সেটা পেপ গার্দিওলা নিজেও জানেন বোধহয়।
যে কারণে মেসির পর আরেক আর্জেন্টাইনকেও গড়ে তুলছেন নিজ হাতে, লোনে দিয়েছেন সিস্টার ক্লাবে।
আগামী দিনে জিরোনায় ভালো খেলে ইচভেরির ম্যানসিটি ও জাতীয় দলে আসার পথ সুগম হোক, সেটাই প্রত্যাশা করছে আর্জেন্টাইন ভক্তরা।




