সর্বশেষ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লিনশিট রেখেছিল অক্টোবরের শুরুর সপ্তাহে। সেখানে সান্ডারল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারায় তারা।
এই মৌসুমে সব ধরণের আসরে ইউনাইটেডের ক্লিনশিট ছিল সেই একটাই।
সেখান থেকে এবার দ্বিতীয় ক্লিনশিট পেলো ইউনাইটেড, যেখানে শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ।
লিসা যে ম্যাচ ইঞ্জুরিতে পড়েছিলেন এর আগে, তার আগের ম্যাচেও ক্লিনশিট ছিল ইউনাইটেডের। অর্থ্যাৎ লিসান্দ্রো মার্টিনেজ থাকলে যে ইউনাইটেড ক্লিনশিট পায়, সেটা কোন কাকতালীয় বিষয় না।
সেটা যে কাকতালীয় নয়, তার প্রমাণ পাওয়া যায় লিসান্দ্রোর পারফর্মেঞ্চেই। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন, পেয়ে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিপক্ষে করেছেন দারুণ পারফর্মেঞ্চ।
মোট ৮ বার ক্লিয়ারেন্স করেন এদিন, ৪ বার ক্লিয়ার করেন হেডে। এর বাইরে একবার ইন্টারসেপশন ও ২ বার করেন রিকভারি৷ মোট ১০ বার রাখেন ডিফেন্সিভ কন্ট্রিবিউশন
আক্রমণেও এদিন ভুমিকা রাখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। ১ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন, সেটাই বিগ চাঞ্চ।
এর বাইরে মোট ৬ বার দেন ফাইনাল থার্ডে পাস। ৯০ ভাগ হারে দেন মোট ৩৪ পাস। অর্থ্যাৎ আক্রমণ ও ডিফেন্স, দুইদিকেই সমানতালে পারফর্ম করেন৷
ইঞ্জুরিতে থেকে ৯ মাস পর ফিরেছেন নভম্বরের ৩০ তারিখ। সে ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে মাঠে নামেন।
এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কয়েক ম্যাচে মাঠে নামলেও শুরুর একাদশে ছিলেন না এক ম্যাচে। তবে ধীরে ধীরে বাড়ছিল তার মিনিট টাইম, কেননা তাকে নিয়ে একসাথে ঝুকি নিতে চাচ্ছিলেন না কোচ।
সর্বশেষ ম্যাচে ৪৫ মিনিট সুযোগ পাওয়ার পর এবার তাকে পুর্ণ সময় দেন কোচ। আর সেখানেই সুযোগ কাজে লাগান লিসান্দ্রো মার্টিনেজ।
নিউক্যাসেলের মত দলের বিপক্ষে তার পারফর্মেঞ্চে জয় পায় ইউনাইটেড, একই সাথে পায় আত্মবিশ্বাস। অপরদিকে কোচকেও বার্তা দিয়ে রাখেন লিসান্দ্রো, ক্লাবে পুর্ণ সময় খেলতে ও পারফর্ম করতে প্রস্তত তিনি।
একই সাথে আর্জেন্টাইন ভক্তদের ও কোচকেও বার্তা দিলেন তিনি। ফুল ফিট লিসান্দ্রো কি করতে পারেন, সেটা অজানা নয় কারোর।
গত বিশ্বকাপেও রোমেরোর সাথে জুটি গড়েন তিনি। এবারো তার থেকে একই প্রত্যাশা করবে দলগুলো। আর সেই প্রত্যাশা পুরণ করতে পারলে এবারো বিশ্বকাপজয়ের সুযোগ থাকবে আর্জেন্টিনার সামনে, অন্তত এগিয়ে যাবে আরো এক ধাপ।




