যখন নামলেন তখন দলের দরকার ২৫ বলে ৩৪ রান। খুব বেশি কঠিন নয়, কিন্ত সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে সহজও নয়।
১১ অভারে ৬৯ রান দরকার ছিল দলের, সেখান থেকে এই পরিস্থিতিতে যায় ঢাকা দল। বিপক্ষ দলের বোলিংএ লামিচানে, তানজিম সাকিব, বিনুরারা। অর্থ্যাৎ কাজটা মোটেও সহজ ছিল না ঢাকার জন্য।
সেই কাজটাকেই সহজতর করেছেন সাব্বির রহমান।
শুরুটা করলেন লামিচানের গুগলিতে দারুণ এক শট করে। সেই শটে মিড অনের বড় বাউন্ডারিও পার করেন সাব্বির, হাকান ৮২ মিনিটের বড় ছয়।
আর তাতেই সব চাপ উতরে যান এই ব্যাটসম্যান, বরং প্রেশারে পড়ে যান বোলার লামিচানে।
তবে এরপরও ঢাকার রান বেশি লাগত বলের চেয়ে। সেখানে তানজিম সাকিবকে বাউন্ডারি হাকিয়ে ম্যাচ নিজের দিকে আনেন সাব্বির।
তানজিমের স্লোয়ারে যেভাবে কাভারে শট করেছেন, যেন দেখার মত ছিল শটটি।
তানজিমের এই শটের পর লঙ্কান বিনুরার বিপক্ষেও চড়াও হন সাব্বির। তাকে ছয় হাকিয়েই শেষ করেন ম্যাচ।
এদিন সাব্বিরের অপরপ্রান্তে ছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি, যিনি জাতীয় দলের ফিনিশার।
কিন্ত তার চেয়ে সাব্বিরের দিকেই চেয়ে ছিল দল। অন্তত সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল সেটাই। সেই প্রত্যাশাই পুরণ করেন সাব্বির।
সাব্বির এদিন তিনটি শট খেলেছেন, তিনটাই তার প্রতিভার পরিচয় দেয়। সন্দীপের গুগলিতে ছক্কা হাকিয়েছেন, তানজিমের স্লোয়ারের কাভার ড্রাইভ।
আর বিনুরারর ফুলটসকে কাজে লাগিয়েছেন, করেছেন বাউন্ডারি ছাড়া। তিন ছক্কা হাকিয়েছেন মিড অন মিড অফ দিয়ে, অর্থাৎ ভি জোনে খেলেছেন।
এই জায়গায় দুর্বলতা বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্রিকেটারদের, সাব্বির সেখানে বাউন্ডারি খেলেন অনায়সে
আর তাই তো টাচে থাকলে সাব্বিরই বাংলাদেশের সেরা ফিনিশার। শুরুর ম্যাচে সেই ম্যাজিকাল টাচটাই পেলেন সাব্বির।
ফিনিশিং বাংলাদেশ দলকে ভোগাচ্ছে, এর সাথে স্পিন বোলিং খেলায় আছে দুর্বলতা। সেখানে এখনও সাব্বির হতে পারেন আস্থার নাম।
তাই বিপিএলের পর বিশ্বকাপেও সাব্বিরকে চাইবে দর্শকরা। তবে এবার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পাল্লা সাব্বিরে।
তাতে নিজের দিক থেকে দলে ফেরার স্বাক্ষরটা ভালোমতই দিয়ে দিতে পারবেন এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।




