শুরুতে খারাপ কেটেছে সিলেটের,তবে ওমরজাইয়ের ঝড়ে সেই টার্গেট গিয়ে দাড়ায় ১৭৪ রানে।
আর তার জবাবে শুরু থেকেই ধুকতে থাকে ঢাক ক্যাপিটালস।
১৭ বল খেলে মাত্র ৯ রান করেন সাইফ, ১৩ টিই দেন ডট বল।
৫ বলে ১ করেন আকবরী,১৫ বলে ২১ করেন উসমান খান।
ক্যাপ্টেন মিথুন গোল্ডেন ডাকে ফিরলে,নাসিরও করতে পারেননি ৫ রানের বেশি।
সাব্বির কিছুটা চেষ্টা করলেও ফেরেন ২৩ রানে।শেষদিকে শামিমদের চেষ্টায় ব্যাবধান কমালেও হেরেছে ঢাকা।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা সিলেটের চতুর্থ উইকেট পতনের পর ১৪তম ওভারে ব্যাট করতে নামেন ওমরজাই। শুরুতে কিছুটা সময় নেন পেস বোলিং এই অলরাউন্ডার। ১৮ ওভার পর্যন্ত তার নামের পাশে ছিল ১৪ বলে ১৭ রান।
১৯তম ওভারে সালমান মির্জার বলে ঝড় বইয়ে দেন ওমরজাই।
পরপর চার বলে ২ চারের সঙ্গে মারের ২টি বিশাল ছক্কা। ওই ওভার থেকে আসে ২২ রান। পরে শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদের প্রথম বলে ছক্কা ও শেষ বলে বাউন্ডারি মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন ওমরজাই।
বিপিএলে ২১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটিই ওমরজাইয়ের প্রথম ফিফটি।
আর সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের তৃতীয়। অথচ বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্তও দলের সঙ্গে ছিলেন না ওমরজাই। রাতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে পরদিন দুপুরেই তার ব্যাট থেকে এলো আগুনে ইনিংস।
ওমরজাইয়ের ঝড়ে শেষ পাঁচ ওভারে ৭৪ রান পায় সিলেট। যার সৌজন্যে তাদের সামনে এখন লড়াই করার পুঁজি আছে।
এছাড়া ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ বলে ৪৪ রান করেন ইমন। আর ২৯ রান করতে ৩৪ বল খেলে ফেলেন সাইম আইয়ুব।
যা যথেষ্ট ছিলো জয়ের জন্য।




