ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছিল, আগ্রহী ছিল অনেক ক্লাব। কিন্ত শেষ পর্যন্ত থেকেছেন রিয়াল মাদ্রিদের ডেরায়।
নতুন কোচ জাভি আলান্সোর চক্ষুশুল হয়েছেন। তাকে নিয়ে পরিকল্পনা না থাকার কথাও জানান দেওয়া হয়েছে। রাইট উইঙ পজিশনও তার জন্য ছিল বন্ধ। এরপর বেঞ্চে থাকেন অনেক ম্যাচ, নামেন বদলি হিসেবে। এতকিছুর সাথে ছিল সমালোচনা আর ট্রল।
সেইসব কিছু নীরবে সহ্য করেছিলেন রদ্রিগো। কেননা তিনি জানেন এর জবাবটা কিভাবে দিতে হয়।
সমর্থকদের ট্রলের জবাব মাঠেই দিলেন রদ্রিগো। গোল এসিস্ট না পাওয়া রদ্রিগো সর্বশেষ ছয় ম্যাচে করলেন ছয় গোল এসিস্ট। আরো স্পেসিফিকভাবে বললে শেষ শুরুর একাদশে থাকা ৫ ম্যাচে ৬ গোল এসিস্ট রদ্রিগোর। যেখানে গোল আর এসিস্ট সমান তিনটি করেই।
আগের দিন রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে বড় জয় রিয়াল মাদ্রিদের। যেখানে শুরুর একাদশে নেমে জোড়া এসিস্ট করেন রদ্রিগো।
এবার সুপার কাপের বিগ ম্যাচে এথলেটিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি রিয়াল মাদ্রিদ। যেখানে দলে নেই দলের ইনফর্ম ও সবচেয়ে বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। অপরদিকে ফর্মেও নেই আরেক ব্রাজিলিয়ান উইঙার ভিনি। তাই মাদ্রিদ কেমন করবে, তা নিয়ে ছিল শঙ্কা।
সেই সন্দেহ ও শঙ্কা দূর করলেন রদ্রিগো। এথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে বড় ম্যাচে এনে দিলেন জয়। সাথে দলকে দিলেন ৩ পয়েন্ট। ৫৪ মিনিটে দলের হয়ে করেন গোলও। ম্যাচশেষে সেটাই হয়ে যায় ব্যাবধানকারী গোল।
গোল ছাড়াও এদিন নিজের ঝলক দেখান রদ্রিগো। ৯২ ভাগ হারে দেন ৩৫ সফল পাস৷ ৪ বার শট করেন, ৩ বার করেন ড্রিবলিং।
৫ বার ফাইনাল থার্ডে পাস দেন, ২ বার দেন সঠিক লং বল। ডুয়েলস জয় করেন মোট ৩ বার। ভালভার্দের পর এদিন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন রদ্রিগোই।
এই রদ্রিগোকে নিয়ে নিসন্দেহে আশা করতে পারে ব্রাজিল দল। কেননা এমনিতেই কার্লোর অধীনে সেরা ফর্মে দেখা যায় রদ্রিগোকে।
এমনকি মাঝে অফফর্মে থাকাকালীন ব্রাজিল দলে দারুণ পারফর্ম করেন তিনি। আর এবার তো ফর্মে আসলেন ক্লাবেই। আত্মবিশ্বাসের সাথে জাতীয় দলের ডাগআউটে কার্লো।
রদ্রিগোর স্কিল, গোল স্কোরিং দক্ষতা বিশ্বমানের। তাই ফর্মে থাকা রদ্রিগোই হবেন ২৬ এর তুরুপের তাস, ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্নের প্রতীক। এবার শুধু ফর্মটাই ধরে রাখতে হবে এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারের।




