সর্বশেষ গোল পেয়েছিলেন এর আগে গত বছর এপ্রিল মাসে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সেবার গোল করেছিলেন কোপা দেল রেতে।
লীগে গোল পেয়েছিলেন ২০২৪ সালে। এন্ড্রিক যেন হারিয়েই গেছেন, এমনটাই বলেছেন অনেকে। একটা সময় ব্রাজিলের ফুটবলের টপ ট্যালেন্টের এমন দশায় অনেকে করেছিলেন আফসোস, অনেকে করেছেন ট্রল।
তবে এন্ড্রিক হারিয়ে যাননি, ছিল সুযোগের অপেক্ষা। সেই সুযোগটাই পেলেন নতুন ক্লাবে। আর প্রথম সুযোগেই বাজিমাত এই খেলোয়াড়ের।
লোনে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ৬ মাসের জন্য এসেছেন লিওতে। লোনে রিয়াল মাদ্রিদের শর্ত, যদি এন্ড্রিক খেলে প্রতি ম্যাচ তবে টাকা দিতে হবেনা তার বর্তমান ক্লাব লিওকে।
এমন প্রতিশ্রুতি পেয়ে যেন আরো উজ্জীবিত এন্ড্রিক। শুরুর ম্যাচেই তাই দেখালেন, কেন তাকে চড়াদামে কিনে রিয়াল মাদ্রিদ।
ফ্রান্সে এসে শুরুর ম্যাচেই এন্ড্রিক গোল আদায় করেন লিলের বিপক্ষে। ফ্রেন্স লীগের শক্তিশালী দল লিল। তাদের বিপক্ষে ১ মিনিটে গোল দেয় লিও।
তবে এরপর গোল হজম করে তারা, ফলে ম্যাচে সমতা পায় লিল। সেখানেই প্রথমার্থের অতিরিক্ত সময়ে এসে জয়সুচক গোলটি করেন এন্ড্রিক।
ডিবক্সের ভিতর দারুণ এক স্পেস ক্রিয়েট করেন এন্ড্রিক। ডিবক্সের বাইরে থেকে পাওয়া দারুণ এক ক্রসের পর এন্ড্রিকদের নিজের স্কিল দেখিয়ে থ্রু পাস দেন তলিসো। এরপর নাম্বার নাইনে বাকি কাজটা দেখান এন্ড্রিক। ঠান্ডা মাথার ফিনিশে নতুন ক্লাবের হয়ে তুলে নেন নিজের প্রথম গোল।
গোল ছাড়াও এদিন মোট ৬ বার শট করেন এন্ড্রিক, ৩ বার করেন সফল ড্রিবলিং। ৮ বার ডুয়েলস জয় করেন ও ২ বার সঠিক লং বল দেন।
এন্ড্রিকের এদিন অলরাউন্ড পারফর্মেঞ্চটাই যেন দেখা যায় মাঠে। একইসাথে অনেকদিন পর পুরো ৯০ মিনিটই মাঠে দেখা যায় এন্ড্রিককে।
এন্ড্রিককে যে লিওতে গেমটাইম পাবেন, সেটা অনেকটা নিশ্চিত। একইসাথে বিশ্বকাপের জন্য তার দরজাও খোলা এখনও।
দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর কাজটা এন্ড্রিককে করতে হবে। জাতীয় দলের হয়ে এন্ড্রিক নিজের শুরুটা করেন দুর্দান্ত।
ব্রাজিলে বসেও তার খেলা মুগ্ধ করেছে সবাইকে। সেই এন্ড্রিককে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব এন্ড্রিকের নিজের।
ফিরে এসে রুপকথা লেখা বাকি এন্ড্রিকের। নাম্বার নাইনে গোলবণ্যা বসিয়ে জায়গা করে নিতে হবে বিশ্বকাপে, সেটাকেও করতে হবে জয়৷ তবেই যে হাসি ফুটবে ব্রাজিল ভক্তদের।




