কার্লোর অন্যতম প্রিয় শিষ্য বলা হয় তাকে, এই মুহুর্তে স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের মাঝে ব্রাজিলের অন্যতম বড় নাম।
আগামী বিশ্বকাপেও ভিনিসিয়াস জুনিয়ারকে ঘিরেই হয়ত পরিকল্পনা সাজাতে পারেন কোচ আনচেলত্তি। তবে স্টারডম নয়, নয় বিশ্বকাপের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার স্বপ্ন। নিজের বিশ্বকাপ দলে দলের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার নেইমার জুনিয়ারকে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছের কথাই জানান ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিয়াস।
প্রীতি ম্যাচে মার্চে ব্রাজিলের সুচি ফ্রাঞ্চের সাথে। তার আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি ভিনিসিয়াস।
আর সেখানেই স্বাভাবিকভাবে উঠে আসে নেইমার প্রসঙ্গ। জবাবে ভিনিসিয়াসও নেইমারকে নিয়ে জবাব দেন সাবলীলভাবে, তাকে ঘিরে রাখেন আশার কথা।
আর সেই আশার রাখার কারণটাও বলেন ভিনিসিয়াস। কেননা শুরুতেই ভিনিসিয়াস জানিয়ে দেন, তার ফুটবল আইডল আর কেউ নন, স্বয়ং নেইমার নিজেই।
এই বিষয়টি আগেও অনেক জায়গায় বলেছেন ভিনি, তবে এটাকেই যেন মনে করিয়ে দিলেন আরেকবার। এরপর ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের প্রশংসাও করেন তিনি। সান্তোস তারকা দলে ফিরতে চেষ্টার কমতি রাখছেনা এমনটা মত তার। এমনকি দলে ফেরার জন্য নেইমারের চেষ্টাকে শতভাগ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে নেইমারের ফেরাকে এক বিষয়ের উপর ঝুলিয়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। আর সেখানে ব্রাজিলের সাবেক নাম্বার টেনের ফেরার বিষয়টা ছেড়ে দেন কোচের ইচ্ছার উপর।
যদিও কোচের ইচ্ছা যাই হোক, ভিনি সহ সবার ইচ্ছা নেইমিকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাওয়া। এমনকি নেইমারকে সেরা হিসেবেও উল্লেখ করেন এই লেফট উইঙ্গার।
এ নিয়ে ভিনিসিয়াস বলেন “ নেইমার আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আদর্শ। সে তার নিজের শতভাগ চেষ্টা করে যাচ্ছে ব্রাজিল দলে আবারো ফেরার জন্য।
যদিও পুরো সিদ্ধান্তটা কোচের উপর থাকবে। তবে আমরা চাই নেইমার আবারো আমাদের সাথে খেলুক। আমরা চাই সবসময় সেরারা সাথে থাকুক, এবং নিসন্দেহে নেইমার সেরকমই একজন”
ভিনিরা বিশ্বাসী, সাথে বিশ্বাসী ব্রাজিলের কোটি ভক্তরাও। তবে সেই বিশ্বাসের মেলবন্ধন হতে পারে নেইমার জুনিয়ার ও কার্লো আনচেলত্তির মাঝে।
দুই জনের সংযোগ থাকতে হবে ভালো, একইসাথে ফিটনেস ও পারফর্মেঞ্চে নেইমির শতভাগ প্রমাণ করে কার্লোকেই করতে হবে বাধ্য। এবার দেখা যাক, ভিনির প্রত্যাশামত আগামী দিনে এই কাজগুলো করতে পারেন কিনা এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।




