আগের ম্যাচে এক উইকেট স্বীকার করেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষেও নিয়েছেন এক উইকেটই৷ কিন্ত এইটুক বললে ফিজ নিয়ে আমার মাথায় যা ইম্প্যাক্ট তৈরি হবে, মাঠের ক্রিকেটে ফিজ দিয়েছেন তার শতভাগ ইম্প্যাক্ট। আর তাতে প্রায় জয়ের বন্দরেই চলে গিয়েছিল লাহোর। জিততে না পারলেও নিজের কাজে শতভাগ সফল ছিলেন ফিজ।
করাচি কিংসের বিপক্ষে ফিজ চার অভার বোলিং করেছেন, সব মিলিয়ে খরচ করেছেন মোটে ২০ রান। ৫ ইকোনমিতে বল করে নিয়েছেন এক উইকেট, যে উইকেটে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
দলীয় অষ্টম অভারে বোলিংএ আসেন ফিজ। শুরুতে দুই উইকেট হারানোর পর তখন তৃতীয় উইকেটে পার্টনারশিপ করেন সাদ বেগ ও মোহম্মদ ওয়াসিম। আস্তে আস্তে রানের গতিও বাড়ান তারা। ফিজের আগে অভারে সিকান্দার রাজার অভারে নেন ১১ রান। সেখানেই বোলিংএ আসেন ফিজ। নিজের সেই অভারে ফিজ দেন মাত্র এক রান। তুলে নেন ১৯ রান করে সেট হওয়া সাদ বেগের উইকেট। ফিজের ভ্যারিয়েশনে দিশেহারা হয়ে পিছনে ক্যাচ দেন সাদ বেগ।
এরপরের অভারে বোলিংএ এসে ফিজ দেন মাত্র ৫ রান। এরপর ১৭ তম অভারে বোলিংএ আসেন ফিজ। ক্রিজে তখন খুশদীল শাহ ও আজম খান, দুইজনই হাকাতে পারেন বড় শট। তবে সেখানে ফিজের বলে দুইজনই হন কাবু৷ ৪ ওভারে ৪৫ রানের সমীকরণ আরো কঠিন করেন ফিজ, সেই অভারে দেন মাত্র ৫ রান।
নিজের শেষ অভারে মাত্র এক বাউন্ডারি হজম করেন ফিজ। কিন্ত ডেথ ওভারের ঐ সময়েও দেন মাত্র ৯ রান। ফিজের স্লোয়ার শেষ পর্যন্ত দেখে শুনে খেলেন নওয়াজ, যিনি বাহাতি হিটিং এর জন্য সিদ্ধহস্ত। শেষ পর্যন্ত ২ অভার ডেথে বল করেও ফিজ দেন মোটে ২০ রান, উইকেট নেন একটি। শেষ অভারে তাই অনেকটা অসম্ভব ১৪ দরকার ছিল প্রতিপক্ষ করাচি।
লাহোরের স্লোয়িশ পিচে অবশ্য সেই রানটাও চেজ করে ফেলে তারা। তবে তার আগে কাজের কাজটা করে যান ফিজ। উলটো যেন আফসোসও বাড়িয়ে দেন লাহোর ফ্যানদের। কেননা ফিজের মত যেন আরো একজন থাকত তাদের ডাগআউটে, তবে হয়ত ম্যাচটা নিজেদের করতে পারত লাহোর। সেই আফসোসটা হয়ত পোড়াবে তাদের। একইসাথে ফিজও দেখালেন, কেন ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে তিনি সেরাদের একজন।




